Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
অসমের মুখ্যমন্ত্রী

ফেসবুকে অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের হুমকি, গ্রেপ্তার সাংবাদিক

একটি ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ওই হুমকি দেওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৯, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৯, ০৯:২৭

options
link
ফেসবুকে অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের হুমকি, গ্রেপ্তার সাংবাদিক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালে ডেস্ক: ফেসবুকে অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালকে খুনের হুমকি দিয়ে গ্রেপ্তার হলেন এক সাংবাদিক। অসম টকস নামে একটি আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের কর্মী, ওই সাংবাদিকের নাম মনিরুদ্দিন রহমান(২৯)। বৃহস্পতিবার অসমের বাকসা জেলায় অবস্থিত মনিরুদ্দিনের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: রাস্তায় নেমে ভিক্ষা করার জের! ২৫ হাজার হোমগার্ডের চাকরি ফেরাল যোগী সরকার]

এপ্রসঙ্গে বাকসার পুলিশ সুপার প্রতীক থুবে বলেন, ‘একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের হুমকি দিয়েছিল ২৯ বছরের মনিরুদ্দিন রহমান। গত বুধবার এই পোস্ট দেখার জানা যায় তার বাড়ি বাকসা জেলায়। এরপরই আজ সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’  

Advertisement

[আরও পড়ুন:দুই রাজ্যের ফল ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ দেবে কংগ্রেসকে, মত রাজনৈতিক মহলের]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুরজিত্‍‌ হর্ষের নামে একটি ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালাত মনিরুদ্দিন। সম্প্রতি তাতে অসমিয়া ভাষায় একটি পোস্ট করেছিল সে। তাতে লেখা ছিল, ‘সর্বানন্দ তুই নাগপুরীয়া দালাল। তুই একজন গোপুত্র, অসমের অভিশাপ। ‘আমার হাতে পিস্তল থাকলে তোকে আজ  গুলি করে মেরে ফেলতাম। গোমূত্র খাওয়ার জাত। তুই মরলে অসমের শান্তি হবে।’ তার এই পোস্টের পরেই অভিযুক্তের নামে একটি খুনের হুমকির মামলা দায়ের করে পুলিশ। তাদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের হুমকি দিয়েছে ওই সাংবাদিক। তাই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত স্থানীয় একটি আঞ্চলিক নিউজ চ্যানেলের কন্ট্রোল রুমে কর্মরত ছিল।

এনআরসি নিয়ে বেশ কয়েকমাস ধরেই উত্তপ্ত রয়েছে অসমের পরিস্থিতি। গত ৩১ আগস্ট এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেই ১৯ লক্ষ মানুষের নাম নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ যায়। এরপরই  এর দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক প্রতীক হাজেলার কর্মপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। দু-একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটা চালানোর সময় দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় যায় যে কয়েকদিন আগে ওই আধিকারিক প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দেওয়া হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.