দিল্লিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে দিল্লির বঙ্গভবনে রয়েছেন ‘এসআইআর আতঙ্কে’ প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্বজনরা। সেই আবহে বঙ্গভবনে হানা দেয় দিল্লি পুলিশ! সেখানে থাকা ব্যক্তিদের ভয় দেখানোর অভিযোগও উঠেছিল। ঘটনা শুনে এক কাপড়ে সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা। তাঁর রুদ্রমূর্তি দেখেই পিছু হটে দিল্লি পুলিশ। ওই ঘটনা নিয়ে কার্যত তোলপাড় হয় দিল্লির রাজনীতি। কিন্তু কেন দিল্লির বঙ্গভবনে পুলিশের হানা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকানোর চেষ্টা? একাধিক প্রশ্নের মাঝেই সাফাই দিল্লি পুলিশের। নিরাপত্তার জন্যই বঙ্গভবনে গিয়েছিল দিল্লি পুলিশ!
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিন দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক এই বিষয়ে বার্তা দিয়েছে। সেই বার্তা অনুসারে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি রয়েছেন। তিনি জেড ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। এদিকে দিল্লি পুলিশের কাছে খবর এসেছিল, পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি রাজনৈতিক দলের ১৫০ থেকে ২০০ জন সমর্থক এসে দিল্লির বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিলেন। যার মধ্যে দক্ষিণ দিল্লি, নয়াদিল্লি এবং মধ্য দিল্লি অঞ্চলের গেস্ট হাউস এবং হোটেলগুলিও ছিল। আরও জানা যায়, ভিভিআইপি এবং সিনিয়র নেতারা ওইসব গেস্ট হাউস এবং হোটেলগুলি পরিদর্শন করবেন। সেই মতো, এই স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার দিকটিও নজরে রাখা হয়েছিল বলে খবর।
জানানো হয়েছে, সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। সেই কারণে দিল্লি পুলিশ সংসদ এলাকা-সহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। সেই কারণে বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউসে নিয়মিত তল্লাশিও হচ্ছে।
আরও জানানো হয়েছে, সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। সেকারণে দিল্লি পুলিশ সংসদ এলাকা-সহ রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। সেই কারণে বিভিন্ন হোটেল, গেস্ট হাউসে নিয়মিত তল্লাশিও হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তাদের তরফে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা বা নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়ে দিল্লি পুলিশকে জানানো হয়নি বলেও দাবি। নিরাপত্তার স্বার্থেই দিল্লি পুলিশ বঙ্গভবনে গিয়েছিল, সেই কথা জানানো হয়েছে।

যদিও রাজনৈতিকভাবে এই ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে নবান্ন। রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তারাও আলোচনা করেন। এরপরই সিদ্ধান্ত হয়, দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়াতে সোমবার রাতেই রাজধানী রওনা হচ্ছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ দল। নবান্ন সূত্রে খবর, এদিন দিল্লিতে যে নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেদিকে নজর রেখেই মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তা বাড়ানোর প্রয়োজন বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তারা। সেই মতো সন্ধ্যায় সিদ্ধান্ত হয়, রাতেই দিল্লি পাঠানো হবে রাজ্য পুলিশের ২২ জনের একটি দলকে। দলের শীর্ষে থাকছেন ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার। এছাড়াও অন্যান্য পদমর্যাদার অফিসার ও কনস্টেবলও থাকছে। থাকছেন মহিলা পুলিশও। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকে সেখানে থাকা রাজ্য পুলিশের বাহিনীর সঙ্গে যোগ দেবেন তাঁরা। পাশাপাশি বঙ্গভবনের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করতে চায় রাজ্য পুলিশ।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন



