Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

পুণের সংস্থাকে বেআইনিভাবে ঋণ পাইয়ে দেওয়ায় গ্রেপ্তার ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্রর চেয়ারম্যান

ব্যাংকের আরও কয়েকজন অফিসারকে গ্রেপ্তার করেছে ইকোনমিক অফেন্সেস উইং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ২১:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৮, ২১:১২

options
link
পুণের সংস্থাকে বেআইনিভাবে ঋণ পাইয়ে দেওয়ায় গ্রেপ্তার ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্রর চেয়ারম্যান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্রর চেয়ারম্যান রবীন্দ্র পি মারাঠেকে গ্রেপ্তার করল ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW)। পুণের ডিএসকে গ্রুপকে বেআইনিভাবে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দিয়েছিল এই ব্যাংক।

শুধু ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্রের চেয়ারম্যান নয়, ব্যাংকের আরও কয়েকজন কর্তাব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে EOW। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাজেন্দ্র কে গুপ্তা, জোনাল ম্যানেজার নিত্যানন্দ দেশপাণ্ডে ও প্রাক্তন সিএমডি সুশীল মোহন্ত। এঁদের মধ্যে নিত্যানন্দ আহমেদাবাদের ও সুশীল জয়পুরের মানুষ।

Advertisement

‘মুসলিমকে কেন বিয়ে করেছেন?’, পাসপোর্ট অফিসে চরম হেনস্তা গৃহবধূকে ]

দেশের বড় পাব্লিক সেক্টরগুলির মধ্যে ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র একটি উল্লেখযোগ্য স্থানে রয়েছে। ৮৩ বছর পুরোনো এই ব্যাংকের হেড কোয়ার্টার পুণেতে। ডি এস কুলকর্ণি গ্রুপের দুই অফিসারকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন সুনীল গড়পড়ে ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়রিং রাজীব নস্কর। একই মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে। মারাঠেকে তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করার জন্য গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনিভাবে শেল কোম্পানিগুলির লোন অনুমোদন করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাছে রাম, ভিডিওবার্তায় দেশবাসীকে বললেন মোদি-জায়া ]

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ব্যাংক এক্সিকিউটিভ ও অফিসারদের সঙ্গে ডিএসকে গ্রুপের আঁতাত রয়েছে। অসৎভাবে ও প্রতারণার মানসিকতা নিয়ে এই ঋণের অনুমোদন দিয়েছে ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র। পরে সেই টাকা পাচার করে দেওয়া হয়। পুনের ডিএসকে গ্রুপের মালিক ডিএস কুলকর্ণি ও তার স্ত্রী হেমন্তী। ফেব্রুয়ারি মাসে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। চার হাজার বিনিয়োগকারী ও ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ব্যাংক থেকে ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.