Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Pahalgam

‘পর্যটকদের উপর আক্রমণ হতে পারে’, পহেলগাঁও হামলার আগেই খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে!

জঙ্গিদের খোঁজে ব্যর্থ হয়ে ২২ এপ্রিল বন্ধ করা হয় তল্লাশি অভিযান, সেই দিনই পহেলগাঁওয়ে হামলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৫, ২০:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২৫, ২০:১৯

options
link
‘পর্যটকদের উপর আক্রমণ হতে পারে’, পহেলগাঁও হামলার আগেই খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে! zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীরে পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলার আগাম খবর ছিল গোয়েন্দাদের কাছে। পহেলগাঁও হামলার কয়েকদিন আগে এমনই খবর এসেছিল। চাঞ্চল্যকর এমনই রিপোর্ট প্রকাশ্যে এনেছেন আধিকারিকরা। যদিও, এই হামলা যে পহেলগাঁওতেই হবে, এমন স্পষ্ট রিপোর্ট ছিল না। এই দাবি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল শুরু হয়েছে।

শনিবার প্রশাসনের তরফে এক রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, পর্যটকদের উপর যে হামলা হতে পারে তার আগাম খবর গোয়েন্দারা দিয়েছিল। যদিও গোয়েন্দা রিপোর্টে দাবি করা হয়, শ্রীনগরের পার্শ্ববর্তী জবরবান রেঞ্জের তলহাটিতে হোটেলে আশ্রয় নেওয়া পর্যটকদের উপর এই হামলা হতে পারে। সেইমতো ওই অঞ্চলে ব্যাপক সতর্কতা জারি করা হয়। শ্রীনগরে ক্যাম্প করে জোরদার তল্লাশি অভিযান চালানো হয় দাচিগাম, নিশাত সংলগ্ন এলাকায়। গত বছরের অক্টোবর মাসে সোনমার্গের একটি নির্মাণস্থলে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। যে হামলায় একজন ডাক্তার-সহ ৭ জন প্রাণ হারান। এই অঞ্চলটিও শ্রীনগরের উপরে জবরবান রেঞ্জের অপরপ্রান্তে অবস্থিত।

Advertisement

ফলে স্পর্শকাতর ওই অঞ্চলে জঙ্গি হামলার সতর্কবার্তা পেয়ে শ্রীনগরের উপকণ্ঠে বড়সড় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পরও কোনওরকম সাফল্য না মেলায় ২২ এপ্রিল বন্ধ করা হয় তল্লাশি অভিযান। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই একইদিনে পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের নিশানায় নেয় জঙ্গিরা। ধর্ম জিজ্ঞাসা করে বেছে বেছে খুন করা হয় ২৫ জনকে। পাশাপাশি মৃত্যু হয় আরও এক স্থানীয় নাগরিকের। শুধু তাই নয়, আরও জানা গিয়েছে, ১৯ এপ্রিল কাশ্মীরের কাটরা-শ্রীনগরগামী ট্রেন উদ্বোধনের কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগেই বড়সড় কোনও হামলা চালানোর ছক ছিল জঙ্গিদের। যদিও শেষ পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয়। রেলের তরফে জানানো হয়, প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। যদিও এটা স্পষ্ট নয় যে, শ্রীনগর এলাকায় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে যেতেই, পরিকল্পনা বদলে পহেলগাঁওয়ে হামলা চালান হয়েছে কিনা। তবে হামলা যে হতে পারে তার স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল।

এদিকে পহেলগাঁও হামলার তদন্তে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, ২২ এপ্রিল দুপুরে বৈসরন ভ্যালি রিসর্টে হামলা চালায় চারজন। তার মধ্যে দু’জন পাকিস্তানি। বাকি দুজন কাশ্মীরের বাসিন্দা। চারজনের স্কেচও প্রকাশ হয়েছে। এদের পথপ্রদর্শক হিসাবে আদিল ঠোকর নামের এক জঙ্গির নামও প্রকাশ করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এর বাইরে আর কারা যুক্ত সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনআইএ সূত্র বলছে, এই হামলার জন্য লস্করের সঙ্গে পাক সেনা এবং আইএসআই যে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে সেটার পোক্ত প্রমাণ রয়েছে। এনআইএ’র রিপোর্ট বলছে, এই হামলার নেপথ্যে অন্তত ২০ জন ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কার কাজ করেছে। এই ওভারগ্রাউন্ড ওয়ার্কাররা এখনও কাশ্মীরে সক্রিয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.