মুখ্যমন্ত্রীর দাদা হওয়া ‘বেদনাদায়ক’। বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দাদা দিগন্ত বিশ্ব শর্মা। কবি, অনুবাদক এবং সুবক্তা হিসাবে পরিচিত দিগন্ত একাধিক ফেসবুকে পোস্টে জানিয়েছেন, ব্যক্তির পরিবর্তে পারিবারিক পরিচয়ের দ্বারা চিহ্নিত হচ্ছেন। যা তাঁকে ক্ষুব্ধ ও ব্যথিত করছে। হঠাৎ এমন বক্তব্য কেন?
একটি পোস্টে দিগন্ত লিখেছেন, “বাবা বলতেন, মন্ত্রীর পদ একটা দায়িত্বের বিষয়। একজন মন্ত্রীর বাবা-মা-ভাই হয় না। কিন্তু আমাকে ‘মুখ্যমন্ত্রীর বড় ভাই’ হিসেবে দেগে দেওয়া হয়।” যোগ করেন, “ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যে আমি যেন আবার ভারতেই জন্মগ্রহণ করি, কিন্তুআর কখনও এই পদবি দ্বারা চিহ্নিত যেন না হই। ‘মুখ্যমন্ত্রীর বড় ভাই’ বলে ডাকা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং জীবনযাপনের জন্য ক্ষতিকর।”
একটি পোস্টে দিগন্ত লিখেছেন, “আগেও বলেছি, আবারও বলছি, মনোযোগ দিয়ে শুনুন। ব্যক্তিগত জীবনে, বাবা-মা এবং ভাইবোনদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অক্ষুণ্ণ রয়েছে আমার। শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবেও। কিন্তু আমিও একজন স্বাধীন নাগরিক। নিজস্ব স্বাধীন আদর্শ রয়েছে। নিরপেক্ষও নই। কোনও দূষিত গোষ্ঠী আমাকে ব্যবহার করতে পারবে না।” প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ এমন পোস্ট করলেন কেন করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রীর দাদা? এই বিষয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে দিগন্তের জবাব, “যা বলার বলে দিয়েছি। নতুন করে কিছু বলতে চাই না।”
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি নিজের মুখ্যমন্ত্রী ভাইকে প্রকাশ্যে সমর্থন করেন দীগন্ত বিশ্ব শর্মা। এর পরেই সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈয়ের “পাকিস্তান সংযোগ” নিয়ে হিমন্তের মন্তব্যকে সমর্থন করেছিলেন দিগন্ত। এর পরে সোশাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের আক্রমণের মুখে পড়েন তিনি। মনে করা হচ্ছে, সেই আক্রমণের পরেই বোধোদয় হয়েছে দিগন্তের।
সর্বশেষ খবর
-
‘রা’ বললেই পরম আনন্দ, ‘ধা’-তে ধাবিত কৃষ্ণ! গৌড়ীয় মঠে ১০৭তম রাধাষ্টমী মহোৎসব
-
হাসিনার প্রত্যাবর্তন থেকে মক্কা চুক্তি, বহু প্রশ্ন উত্তরহীন ভেসে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশে
-
কমিশনে ঝুলে প্রতীক সিদ্ধান্ত, শিয়রে উপনির্বাচন! ঋত শিবিরের ১০ তৃণমূূল বিধায়ককে চিঠি স্পিকারের
-
পঁচাত্তরেও ত্বক চাই টানটান! বাড়ি বেচে, সারাজীবনের সঞ্চয় উড়িয়ে পার্লারে ৪ কোটি বিল মেটালেন বৃদ্ধা
-
সাগরে ভারতের রণতরীতে ধাক্কা পাক যুদ্ধ জাহাজের! ইসলামাবাদের রাষ্ট্রদূতকে তলব ‘ক্ষুব্ধ’ দিল্লির