সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ে ধরাশায়ী বামেরা। মিথ ভেঙে মানিক দুর্গে ফুটল পদ্ম। এই খবরে বেজায় খুশি এ রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বও। শনিবার বেলা বাড়তেই বঙ্গ বিজেপির দপ্তরে শুরু হয়ে গেল আবির খেলা। আবির মাখলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়রা। যা দেখে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বলে দিলেন, ‘যাঁরা আনন্দ করছেন, তাঁদের বলে রাখি- এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ ত্রিপুরাতে বিজেপি জিতলেও, বাংলায় পারবে না, কটাক্ষ পার্থর।
[ত্রিপুরায় লালদুর্গের পতন, সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি: LIVE আপডেট]
মুকুল রায়কে এদিন ফের একবার নাম না করে ‘গদ্দার’ বলেন পার্থবাবু। সেই সঙ্গে জানান, ত্রিপুরাতে তৃণমূল ভাল ফল করার আশা করেনি। তবে যাঁর উপর ত্রিপুরা নির্বাচনের দায়িত্ব ছিল, তিনিই দায়িত্ব নিয়ে দলকে ডুবিয়েছেন, বিজেপির হাতে সংগঠনকে তুলে দিয়েছেন, সে কথাও এদিন চেপে রাখেননি তৃণমূল মহাসচিব। পালটা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও ছেড়ে কথা বলেননি দিলীপবাবুরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও মুকুল রায় হাত ধরাধরি করে এদিন টিভি ক্যামেরার সামনে বললেন, ‘এবার বাংলা। ‘ দিলীপবাবু বলেন, ‘ত্রিপুরাতে বামেরা হারায় সিপিএম যতটা দুঃখী, তার চেয়েও বেশি দুঃখ পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’
এদিনের জয়ের পিছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতাকেই প্রধান কারণ হিসাবে দেখছেন দিলীপ ঘোষ। বলছেন, ‘ত্রিপুরাতে মানুষের দম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। চলো পালটাই রব উঠেছিল। সবচেয়ে বড় কথা, ১% থেকে ৫০% ভোট পেতে পারে কোনও দল- এটা ইতিহাসে হয়নি।’ বঙ্গ রাজনীতিতে এই জয়ের ফলাফল কী হবে-সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপবাবু কেবল বলেন, ‘আব তেরা কেয়া হোগা রে কালিয়া?’ ত্রিপুরাতে বামেদের পরাজয়কে লজ্জার হার বলছে তৃণমূল। পার্থবাবুর অভিযোগ, বামেরা বিজেপির বিরুদ্ধে সেভাবে সুর চড়ায়নি। দুই দলের মধ্যেই তলায় তলায় একটা বোঝাপড়া রয়েছে। তাঁর পরামর্শ, ‘বামেদের উচিত ছিল মানুষের হয়ে কাজ করা।’
[গেরুয়া ঝড়ে বাম দুর্গ ধূলিসাৎ, ত্রিপুরায় মানিক-মিথ ভাঙল বিজেপি]
সর্বশেষ খবর
-
‘টিকিট কেটে ধর্ষকদের অঙ্গহানি দেখব’, বারুইপুরকাণ্ডে বোমা ফাটালেন পৌষমিতা
-
কোচবিহারে ডিম-হামলার মুখ মীনাক্ষী! ক্ষুব্ধ সিপিএম নেত্রী গাড়ি থামিয়ে বললেন, ‘আগে গ্রেপ্তার হোক’
-
‘সিঁদুর’ দাপানো ব্রহ্মস চুক্তিতে সিলমোহর! ইন্দোনেশিয়ার সর্বোচ্চ সম্মানেও ভূষিত মোদি
-
মোদি হাজির, মাত্র তিনদিনেই ১২৪ কোটি খরচ রামমন্দিরের! হিসাব দেখে চক্ষু চড়কগাছ, শুরু তদন্ত
-
অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ সামলাতে কৃত্রিম মেধাই হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সহযাত্রী