Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bengaluru stampede

‘কুম্ভে পদপিষ্টের পরও তো কেউ পদত্যাগ করেনি’, সিদ্দা-শিবকুমারকে ‘ক্লিনচিট’ খাড়গের

সিদ্দারামাইয়াও কদিন আগে একইভাবে কুম্ভের সঙ্গে বেঙ্গালুরুর ঘটনার তুলনা করেছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ১৬:০৩

options
link
‘কুম্ভে পদপিষ্টের পরও তো কেউ পদত্যাগ করেনি’, সিদ্দা-শিবকুমারকে ‘ক্লিনচিট’ খাড়গের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঙ্গালুরু পদপিষ্ট কাণ্ডে দলের হাই কম্যান্ড থেকে ক্লিনচিট পেয়ে গেলেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার। পদপিষ্ট কাণ্ডের জন্য কারও পদত্যাগের প্রয়োজন নেই। স্পষ্ট ইঙ্গিত দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। কংগ্রেস সভাপতির প্রশ্ন, “কুম্ভেও তো বহু মানুষ পদপিষ্ট হয়েছেন। গঙ্গায় লাশ ভেসে যেতে দেখা গিয়েছে। কেউ পদত্যাগ করেছেন কি?”

গত সপ্তাহে কোহলিয়ানার সেলিব্রেশন চাক্ষুস করতে গিয়ে বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়। দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়। আরও অন্তত ৩৫ জন আহত হন। ঘটনার পর সব অভিযোগের তির যখন কর্নাটক সরকারের দিকে, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া তখন দেখিয়ে দেন কুম্ভমেলার অব্যবস্থাকে। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ধরনের ঘটনা অনেক জায়গাতেই ঘটে। আমি অন্য ঘটনার সঙ্গে তুলনা করে এই ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করছি না। কিন্তু কুম্ভমেলাতেও তো ৫০-৬০ জনের মৃত্যু হল। তখন তো আমরা সমালোচনা করিনি।” সিদ্দার সেই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে সমালোচিত হয়।

Advertisement

নড়েচড়ে বসে কংগ্রেস হাই কম্যান্ডও। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপ মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারকে জরুরি ভিত্তিতে দিল্লিতে তলব করা হয়। কিন্তু দুজনের সঙ্গে আলোচনার পর কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে কর্নাটক সরকারকে কার্যত ক্লিনচিট দিয়ে দিলেন। খাড়গের বক্তব্য, “এটা একটা দুর্ঘটনা। কুম্ভমেলার সময় যে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনা ঘটল সেটার পর কি যোগী পদত্যাগ করেছেন? আমরা দেখেছি বহু দেহ ভেসে যেতে। এমনকী করোনার সময়ও সেই দৃশ্য দেখা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশে। কিন্তু তারপর কে পদত্যাগ করেছেন?”

বস্তুত, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে আপাতত ক্লিনচিট পেয়ে গেলেন সিদ্দা। যার অর্থ বিজেপির তরফে চাপ আসা সত্ত্বেও এখনই পদত্যাগ করতে হচ্ছে না কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বা উপমুখ্যমন্ত্রীকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.