সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাম্পত্যজীবনে সুখী ছিলেন না। তাই প্রেমিকের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি থেকে পালিয়েছিলেন বছর চব্বিশের এক গৃহবধূ। কিন্তু, শেষরক্ষা হল না। প্রেমিক-সহ ধরা তো পড়লেনই। উলটে ওই যুবতীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করল পুলিশ। কারণ, তাঁর প্রেমিকের বয়স মোটে সতেরো। এখনও প্রাপ্তবয়স্ক নয় সে। ঘটনাটি কেরলের।
[প্রাক্তন হিন্দু মডেলকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণে চাপ স্বামীর, পুলিশের দ্বারস্থ নির্যাতিতা]
বছর দুয়েক আগে বিয়ে হয়েছিল কেরলের কোলার স্বর্ণখনি এলাকার বাসিন্দা ওই যুবতীর। তাঁর স্বামী পানীয় জল সরবরাহের ব্যবসা করেন। ওই দম্পতি নিঃসন্তান। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কিশোরের সঙ্গে আগে থেকেই আলাপ ছিল ওই যুবতীর। স্কুলের গণ্ডিও পেরোয়নি যুবতীর কিশোর প্রেমিক। মাঝপথেই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে সে। গত ২৪ অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে যায় দুজনেই। সেদিন রাতে স্ত্রীর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করতে স্থানীয় থানায় যান ওই যুবতীর স্বামী। পরের দিন সকালে ছেলের খোঁজ পেতে পুলিশের দ্বারস্থ হন কিশোরের বাবাও। ঘটনাচক্রে, থানায় নিখোঁজ গৃহবধূর ছবিটি চোখে পড়ে তাঁর। স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘ছবিটি দেখার পর উনি আমাদের কাছে জানতে চান, কী হয়েছে। আমরা বলি, ওই গৃহবধূর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। উনি বলেন, নিখোঁজ গৃহবধূর সঙ্গে আলাপ ছিল তাঁর ছেলে। সম্ভবত তাঁর ছেলেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছেন ওই যুবতী।’
[একান্তে মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত রাহুল-তেজস্বী, নেটিজেনরা কী বললেন জানেন?]
যদিও প্রথমে ওই কিশোরের বাবার অভিযোগকে সেভাবে গুরুত্ব দিতে চায়নি পুলিশ। কিন্তু, নিখোঁজ গৃহবধূর প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানান, ওই কিশোরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। এরপরই গোটা ঘটনা নয়া মোড় নেয়। স্থানীয় একটি বাসস্ট্যান্ডের সিসিটিভি খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ২৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই বাসস্ট্যান্ড থেকে অন্ধ্রপ্রদেশগামী একটি বাসে উঠেছিলেন ওই গৃহবধূ ও তাঁর কিশোর প্রেমিক। নিখোঁজ গৃহবধূর মোবাইল ট্র্যাক করতে শুরু করেন তদন্তকারীরা। স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, দু’দিন অন্তর ঠিকানা বদল করছিলেন তাঁরা। বিশাখাপত্তনম, নেল্লোর, বিজয়ওয়াড়া-সহ তামিলনাড়ুর বেশ কয়েকটি জায়গায় লজ ভাড়া নিয়ে থাকতেন দু’জন। শেষপর্যন্ত, গত ১৩ নভেম্বর তামিলনাড়ুর ভেলানকান্নি এলাকার একটি হোটেল থেকে ওই গৃহবধূ ও তাঁর কিশোর প্রেমিককে ধরে ফেলে পুলিশ। নাবালকের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের অপরাধে ওই গৃহবধূর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ। যদিও তদন্তকারীদের দাবি, তিনি যে অপরাধ করেছেন, সেকথা কিছুতেই মানতে চাইছিলেন না ওই গৃহবধু। তদন্তকারীদের বছর চব্বিশের ওই যুবতী বলেন, তাঁরা পরস্পরকে ভালবাসেন এবং খুব তাড়াতাড়ি নাকি বিয়েও করবেন।
[সদ্যোজাতর প্রাণরক্ষায় ১৪ ঘণ্টার পথ ৭ ঘণ্টায় অতিক্রম, নজির অ্যাম্বুল্যান্স চালকের]
সর্বশেষ খবর
-
ফেডারেশনের বৈঠকে ইট থেকে ডিমবৃষ্টি, টলিপাড়ায় ধুন্ধুমারে কাকে দায়ী করলেন রুদ্রনীল?
-
২৫ হাজার ‘ঘুষে’র দাবি, না পেয়ে নাবালিকার জোড়া লাগা পা ভাঙলেন সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক!
-
তৃণমূলের ভাঙনে মোদির স্বপ্নপূরণ! ২৯-এর আগেই আসন পুনর্বিন্যাস কার্যকরে আসরে কেন্দ্র
-
প্রেম ফিকে হলেও বন্ধুত্ব চির-অমলিন, সম্পর্কের নয়া রসায়ন বাতলালেন তৃপ্তি দিমরি
-
মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ, গতি পেল সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ, জুড়ছে শিলিগুড়ি-সিকিম