BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অপেক্ষার অবসান! ফেব্রুয়ারিতেই বাজারে আসতে পারে কোভ্যাক্সিন, দাবি ICMR আধিকারিকের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 5, 2020 5:26 pm|    Updated: November 5, 2020 5:33 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে করোনার ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) নিয়ে যাবতীয় আশঙ্কা, যাবতীয় উৎকণ্ঠা শেষ হতে চলেছে। প্রত্যাশার তুলনায় বেশ কয়েক মাসে আগেই বাজারে আসতে চলেছে সম্পূর্ণ দেশীয় গবেষণায় তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন (Covaxin)। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের এক আধিকারিক এক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন। রজনী কান্ত নামের আইসিএমআরের ওই আধিকারিকের দাবি, জুন বা এপ্রিল নয়, ফেব্রুয়ারি মার্চের মধ্যেই বাজারে চলে আসতে পারে করোনার দেশীয় প্রতিষেধকটি।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে আইসিএমআরের বর্ষীয়ান ওই আধিকারিক জানিয়েছেন,”এই ভ্যাকসিনটির ভাল উপযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আশা করা যায় আগামী বছরের শুরুর দিকে, এই ধরুন ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসের দিকে প্রতিষেধকটি পাওয়া যাবে।” এই রজনী কান্ত আইসিএমআরের (ICMR) বর্ষীয়ান আধিকারিক হওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের গঠন করা কোভিড টাস্ক ফোর্সের সদস্য। স্বাভাবিকভাবেই, তাঁর কথাতে আশায় বুক বাঁধছেন চিকিৎসকরা। যদিও, এই ভ্যাকসিনটি তৃতীয় তথা শেষ পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগে। আর দু’তিন দিন আগেই সেই ট্রায়াল শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ভারত বায়টেকের তৈরি এই ভ্যাকসিনটির ট্রায়াল শুরু হয়েছিল বেশ কয়েক মাস আগেই। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম দুই পর্যায় মোটামুটি সাফল্যের সঙ্গে উতরে গিয়েছে কোভাক্সিন। এবার তৃতীয় পর্বে ১৮ বছরের বেশি বয়সি ২৮,৫০০ জনকে এই টিকা দেওয়া হবে। দেশের মোট ১০টি রাজ্যের ১৯টি জায়গায় এই পরীক্ষা চলবে। এর মধ্যে দিল্লি, মুম্বই, পাটনা, লখনউয়ের মতো বড় শহরেও হবে ট্রায়াল। এই প্রক্রিয়ায় সাফল্য এলেই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে ভারত বায়টেক। অর্থাৎ পুরো প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই সম্পূর্ণ হতে চলেছে।

[আরও পড়ুন: ফের ৫০ হাজারের গণ্ডি পেরল দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, বাড়ল মৃত্যুও]

ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি পাওয়ার পর প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেকের (Bharat Biotech) কর্তারা দাবি করেছিলেন, আগামী বছরের জুন মাসের মধ্যে টিকাটি তৈরি হয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যে জোরকদমে চলছে লড়াই। কিন্তু ট্রায়াল শুরুর পর খোদ আইসিএমআরের আধিকারিক দাবি করলেন, জুন নয়, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসেই এটি বাজারে চলে আসতে পারে। যা দেশের ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement