Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Bihar

‘প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ’, সরকারি চিকিৎসার হাল ফেরাতে চিকিৎসকদের উপর নিষেধাজ্ঞা বিহারে

নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা কোনও সরকারি চিকিৎসক ব্যক্তিগত চেম্বার চালাতে পারবেন না। সরকারি হাসপাতালের বাইরে অন্য কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে পারবেন না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৭:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১৭:৩০

options
link
‘প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ’, সরকারি চিকিৎসার হাল ফেরাতে চিকিৎসকদের উপর নিষেধাজ্ঞা বিহারে zoom
প্রতীকী ছবি।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের জন্য কড়া নিষেধাজ্ঞা বিহারে। এখন থেকে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকরা নিজেদের ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতে পারবেন না। সম্প্রতি এমনই এক প্রস্তাবে অনুমোদন দিল বিহার সরকার। রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির হাল ফেরাতেই এই উদ্যোগ বলে জানা যাচ্ছে।

বিহার সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ‘সাত নিশ্চয়-৩’ কর্মসূচির অধীনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগের ফলে চিকিৎসকদের সম্পূর্ণ মনোযোগ সরকারি দায়িত্ব পালনের দিকেই থাকবে। নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা কোনও সরকারি চিকিৎসক ব্যক্তিগত চেম্বার চালাতে পারবেন না। সরকারি হাসপাতালের বাইরে অন্য কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে পারবেন না। বিহার হেলথ সার্ভিসেস ক্যাডার, বিহার মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিস ক্যাডার এবং ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ কার্ডিওলজি এর সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে এই নিয়ম। মেডিক্যাল কলেজের অধ্যাপক ও সিনিয়র চিকিৎসকরাও এই নিয়মের বাইরে নন।

Advertisement

সরকারের ‘সাত নিশ্চয়-৩’ কর্মসূচির অধীনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য সময়মতো চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা।

সরকারের দাবি অনুযায়ী, রাজ্যের চিকিৎসকরা হাসপাতালের বাইরেও ব্যক্তিগত চেম্বার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিষেবা দিচ্ছিলেন। এর জেরে সরকারি হাসপাতালের কাজের উপর প্রভাব পড়ছিল। যার জেরেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রথা বন্ধ হলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি বাড়বে এবং চিকিৎসার মান আরও উন্নত হবে। শুধু তাই নয়, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বেসরকারি প্র্যাকটিস বন্ধ করার জন্য ক্ষতিপূরণ বাবদ ‘নন-প্র্যাকটিসিং অ্যালাউন্স’ও দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি আরও বেশকিছু উদ্যোগ নেওয়া হবে যাতে এই পন্থা পুরোপুরি বন্ধ করা যায়। ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত নির্দেশিকাও শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে চিকিৎসা পরিষেবার মানোন্নয়নে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন ড. রেখা ঝা। বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য পরিষেবা সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতিতে এই পদক্ষেপ করছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.