Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৬ জুলাই ২০২৬

তেজস্বীর ইস্তফা নিয়ে মতবিরোধ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন নীতীশ

বিহারের মহাজোটে বড় ধাক্কা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ১৫:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০১৭, ১৫:১৯

options
link
তেজস্বীর ইস্তফা নিয়ে মতবিরোধ, বিহারের মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন নীতীশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেঙে গেল বিহারের মহাজোট। লালুপ্রসাদ পুত্র তেজস্বীর ইস্তফা নিয়ে মতবিরোধের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার। পদত্যাগ করেছেন নীতীশের দল জেডিইউর সব মন্ত্রী। ছেলেকে উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি যে সরাবেন না তা এদিন সকালে স্পষ্ট করে দেন আরজেডি সুপ্রিমো। সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে নীতীশ জানিয়ে দেন এভাবে সরকার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছিল। বিজেপির সমর্থনে কি তিনি সরকার চালাবেন। কৌশলী নীতীশ অবশ্য ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর নীতীশকে অভিনন্দন জানিয়ে নরেন্দ্র মোদির টুইটে জল্পনা আরও বেড়েছে।

[বসিরহাট কাণ্ডের জের, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রুখতে কড়া আইনের পথে রাজ্য]

চিরশত্রু দুই দল মিলে গিয়ে সরকার গড়েছিল। লালু-নীতীশের দোস্তি ২০ মাসও টিকল না। বিহারে ভেঙে গেল মহাজোট। উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীর নাম দুর্নীতি জড়ায় মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তাঁকে সরে যাওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন। লালুপ্রসাদ রাজি না হওয়ায় বিহারের জোট সরকারে ডামাডোল তৈরি হয়। এনিয়ে সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে নীতীশ কুমার কথা বলেছিলেন। তবুও জোট টিকল না। ছেলেকে তিনি যে সরাবেন না তা এদিন পরিষ্কার করে দেন লালুপ্রসাদ। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন বৃহত্তম দল হয়েও নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিল আরজেডি। লালুর হুঁশিয়ারির পর বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। রাজভবনে ইস্তফা দিয়ে বেরোনোর পর নীতীশ জানান, এমন পরিবেশে কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। দুর্নীতিকে তিনি যে প্রশ্রয় দেন না তা বুঝিয়ে দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। সরকার ভাঙার দায় তাঁর যাতে ঘাড়ে না পড়ে তার জন্য নীতীশ জানান, তিনি জোটধর্ম পালনের চেষ্টা করেছিলেন। নীতীশের মনে হয়েছিল আরজেডি তেজস্বীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এই নিয়ে লালু এবং তেজস্বীর তিনি কথাও বলেছিলেন। তারপরও লালুর দল ব্যবস্থা নেওয়া বিহারবাসীর স্বার্থে ইস্তফা অনিবার্য ছিল বলে নীতীশ জানিয়েছেন। তবে এর জন্য কাউকে তিনি দোষারোপ করেনি। ইস্তফার সিদ্ধান্ত জোটসঙ্গী লালুপ্রসাদ এবং কংগ্রেস নেতা সি পি জোশীকে তিনি জানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[‘কারগিল যুদ্ধে প্রাণ বাঁচাতে আমেরিকার পায়ে ধরে ভিক্ষা চেয়েছিল পাকিস্তান’]

বিহার বিধানসভার মোট আসন ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির বিধায়ক ৮০, জেডিইউ ৭১, কংগ্রেস ২৩ এবং বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৮। অঙ্কের হিসাবে বিজেপি হাত বাড়ালে নীতীশ সহজেই সরকার টিকিয়ে রাখতে পারবেন। নীতীশের ইস্তফার পরই সক্রিয় হয়ে ওঠে বিজেপি। দ্রুত বিজেপি নেতৃত্ব বৈঠকে বসে। টুইট করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য অভিনন্দন। ১২৫ কোটি ভারতবাসী তাঁর এই সততাকে সম্মান করেন। মোদির টুইটে স্পষ্ট ২০১৯-এ সরকার ধরে রাখতে পুরনো বন্ধুকে পাশে পেতে চায় বিজেপি।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.