সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভেঙে গেল বিহারের মহাজোট। লালুপ্রসাদ পুত্র তেজস্বীর ইস্তফা নিয়ে মতবিরোধের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার। পদত্যাগ করেছেন নীতীশের দল জেডিইউর সব মন্ত্রী। ছেলেকে উপ মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি যে সরাবেন না তা এদিন সকালে স্পষ্ট করে দেন আরজেডি সুপ্রিমো। সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে নীতীশ জানিয়ে দেন এভাবে সরকার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছিল। বিজেপির সমর্থনে কি তিনি সরকার চালাবেন। কৌশলী নীতীশ অবশ্য ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর নীতীশকে অভিনন্দন জানিয়ে নরেন্দ্র মোদির টুইটে জল্পনা আরও বেড়েছে।
[বসিরহাট কাণ্ডের জের, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রুখতে কড়া আইনের পথে রাজ্য]
চিরশত্রু দুই দল মিলে গিয়ে সরকার গড়েছিল। লালু-নীতীশের দোস্তি ২০ মাসও টিকল না। বিহারে ভেঙে গেল মহাজোট। উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বীর নাম দুর্নীতি জড়ায় মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তাঁকে সরে যাওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন। লালুপ্রসাদ রাজি না হওয়ায় বিহারের জোট সরকারে ডামাডোল তৈরি হয়। এনিয়ে সনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে নীতীশ কুমার কথা বলেছিলেন। তবুও জোট টিকল না। ছেলেকে তিনি যে সরাবেন না তা এদিন পরিষ্কার করে দেন লালুপ্রসাদ। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন বৃহত্তম দল হয়েও নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিল আরজেডি। লালুর হুঁশিয়ারির পর বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। রাজভবনে ইস্তফা দিয়ে বেরোনোর পর নীতীশ জানান, এমন পরিবেশে কাজ করা সম্ভব হচ্ছিল না। দুর্নীতিকে তিনি যে প্রশ্রয় দেন না তা বুঝিয়ে দেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। সরকার ভাঙার দায় তাঁর যাতে ঘাড়ে না পড়ে তার জন্য নীতীশ জানান, তিনি জোটধর্ম পালনের চেষ্টা করেছিলেন। নীতীশের মনে হয়েছিল আরজেডি তেজস্বীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এই নিয়ে লালু এবং তেজস্বীর তিনি কথাও বলেছিলেন। তারপরও লালুর দল ব্যবস্থা নেওয়া বিহারবাসীর স্বার্থে ইস্তফা অনিবার্য ছিল বলে নীতীশ জানিয়েছেন। তবে এর জন্য কাউকে তিনি দোষারোপ করেনি। ইস্তফার সিদ্ধান্ত জোটসঙ্গী লালুপ্রসাদ এবং কংগ্রেস নেতা সি পি জোশীকে তিনি জানিয়েছেন।
[‘কারগিল যুদ্ধে প্রাণ বাঁচাতে আমেরিকার পায়ে ধরে ভিক্ষা চেয়েছিল পাকিস্তান’]
বিহার বিধানসভার মোট আসন ২৪৩। ম্যাজিক ফিগার ১২২। আরজেডির বিধায়ক ৮০, জেডিইউ ৭১, কংগ্রেস ২৩ এবং বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৫৮। অঙ্কের হিসাবে বিজেপি হাত বাড়ালে নীতীশ সহজেই সরকার টিকিয়ে রাখতে পারবেন। নীতীশের ইস্তফার পরই সক্রিয় হয়ে ওঠে বিজেপি। দ্রুত বিজেপি নেতৃত্ব বৈঠকে বসে। টুইট করে প্রধানমন্ত্রী জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য অভিনন্দন। ১২৫ কোটি ভারতবাসী তাঁর এই সততাকে সম্মান করেন। মোদির টুইটে স্পষ্ট ২০১৯-এ সরকার ধরে রাখতে পুরনো বন্ধুকে পাশে পেতে চায় বিজেপি।
भ्रष्टाचार के ख़िलाफ़ लड़ाई में जुड़ने के लिए नीतीश कुमार जी को बहुत-बहुत बधाई।
सवा सौ करोड़ नागरिक ईमानदारी का स्वागत और समर्थन कर रहे हैं— Narendra Modi (@narendramodi) July 26, 2017
সর্বশেষ খবর
-
একেই বলে বিশ্বসেরা, শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে কামব্যাক আর্জেন্টিনার, ইংল্যান্ড হারিয়ে ফাইনালে মেসিরা
-
একুশ নিয়ে তৃণমূলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কালীঘাট মুছল অভিষেককে! ঋতদের পোস্টারে প্রাধান্য মণীষীদের
-
ক্লাসরুমের মধ্যেই ঠোঁটঠাসা চুমু, জড়িয়ে ধরে উদ্দাম প্রেম শিক্ষক-শিক্ষিকার! ভিডিও ভাইরাল
-
ঝগড়া হতেই ছুরি বের করে প্রেমিকার গলায় কোপ! হাওড়ায় হাসাপাতালেই তরুণীর মৃত্যু
-
দেশের সার্বভৌমত্বে আঘাত! দিলজিৎদের ‘রুখতে’ এবার ওটিটিতেও সেন্সরের পথে কেন্দ্র