Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নীতীশের সঙ্গে চূড়ান্ত রফা, বিহারে নতুন জোট জটে বিজেপি

তেজস্বীর সঙ্গে কথা একাধিক এনডিএ শরিকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৩:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০১৮, ১৩:২২

options
link
নীতীশের সঙ্গে চূড়ান্ত রফা, বিহারে নতুন জোট জটে বিজেপি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিকেল অবধি সব ঠিকই ছিল, কিন্তু বিপত্তি বাড়ল রাত বাড়তেই। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিহারে বিজেপি ও জেডিইউ সমসংখ্যক আসনে লড়াই করবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় দু’দলের তরফে এই কথা জানিয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। তাঁদের জোটে রামবিলাস পাসোয়ান ও উপেন্দ্র কুশওয়াহার দলও থাকছে বলে শাহ জানান। কিন্তু অমিত ঘোষণার পরই বদলে যায় পরিস্থিতি। রাতেই আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের সঙ্গে দেখা করেন আরেক জোট সঙ্গী উপেন্দ্র কুশওয়াহ। এমনকি রামবিলাস পাসোয়ানের ছেলে চিরাগ পাসোয়ানের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে তেজস্বীর।

[নাম না করে প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ জিগনেশের]

বিহারে নীতীশ কুমারের দলের সঙ্গে বিজেপির আসনরফা নিয়ে প্রায় একমাস ধরে কথাবার্তা চলছে। ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিহারে ২২ আসনে জয়ী হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে বিজেপি প্রথমে তাদের জেতা আসনগুলি ধরে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু জেডিইউ তাতে রাজি হয়নি। জেডিইউ পালটা দাবি করে, রাজ্যে যেহেতু তারা বড় দল তাই তাদেরই বেশি আসনে লড়ার কথা। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সন্ধ্যায় বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন অমিত শাহ। ওই বৈঠকেই দু’ দলের এই দড়ি টানাটানির খেলা শেষ হল বলা যায়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিরোধী দলগুলি জোটবদ্ধ হওয়ায় নতুন করে এনডিএ-র কোনও শরিককেই আর চটাতে রাজি নন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। সে কারণেই জেডিইউয়ের প্রস্তাব মেনে নিয়েই তাঁরা বিহারে নীতীশের দলের সঙ্গে সমসংখ্যক আসনে লড়াইয়ের প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন। 

Advertisement

[সিবিআই দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ, প্রতীকী গ্রেপ্তারি বরণ রাহুলের]

সূত্রের খবর, বিহারে নীতীশ এবং বিজেপি ১৬টি করে আসনে লড়বে। রামবিলাস পাসোয়ানের দল লড়বে ৫টি আসনে এবং উপেন্দ্র কুশওয়াহর আরএলএসপি ২টি আসনে, এই ফর্মুলাতেই এগোতে চাইছে বিজেপি। কিন্তু এই নয়া ফর্মুলা পছন্দ নয় উপেন্দ্র কুশওয়াহর। অসন্তোষ ছিলই এদিন অমিত শাহর ঘোষণার পর তা ক্ষোভে পরিণত হল। অমিতের ঘোষণার কিছু পরেই তিনি আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের সঙ্গে দেখা করলেন। যদিও, এই বৈঠককে নেহাতই কাকতালীয় বলে দাবি করা হচ্ছে আরএলএসপির তরফে। অন্যদিকে, রামবিলাস পাসোয়ানও নাকি আসন সংখ্যা কমে যাওয়ায় সন্তুষ্ট নন। ছেলে চিরাগ পাসোয়ান নাকি ইতিমধ্যেই তেজস্বীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। একথা স্বীকার করে নিয়েছেন তেজস্বীও। যদিও, কী কথা হয়েছে তা নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। তাঁর সাফ কথা, রাজনৈতিক আলোচনা হয়েছে, কী কথা হয়েছে ধীরে ধীরে প্রকাশ পাবে। উল্লেখ্য, ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল নীতীশের জেডিইউ। তবে ২০১৭-র জুলাইয়ে জেডিইউ ফের এনডিএতে ফিরে আসে। ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচনে জেডিইউ মাত্র ২টি আসনে জয়ী হয়েছিল। উপেন্দ্র কুশওয়াহর দল আরএলএসপি ৩টি এবং এলজেপি ৬টি আসনে জিতেছিল। বিহারে ১১ শতাংশ ভোটের উপর ভাল প্রভাব আছে আরএলএসপি-র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.