সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee) আক্রমণ করতে গিয়ে ফের মাত্রা ছাড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং! মমতাকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তুলনা করলেন বিহারের বিজেপি সাংসদ। তাঁর দাবি, “কিমের মতো মমতাও বিরোধিতা সহ্য করতে পারেন না।”
বুধবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চে মমতা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের মতো বাংলাকেও অশান্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। ওই সভাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “মোদিবাবু, তাঁর পার্টিকে দিয়ে বাংলায় আগুন লাগাচ্ছে। মনে রাখবেন বাংলা অশান্ত হলে অসম, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লিও এর থেকে রেহাই পাবে না। উত্তর-পূর্বও শান্ত থাকবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর সেই মন্তব্য নিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা পালটা হুঁশিয়ারির সুরে প্রশ্ন ছুড়েছিলেন, “অসমকে হুমকি দিচ্ছেন! কত বড় সাহস!” সুর চড়ান মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংও।
[আরও পড়ুন: তালিকায় শাহরুখ-আদানি, ভারতীয় ‘সুপার রিচ’দের সম্পত্তি সৌদি-সুইজারল্যান্ডের GDP-রও বেশি]
তবে এদের থেকেও চড়া সুরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন গিরিরাজ। তিনি বলেন, “এটা একটা গণতান্ত্রিক মানুষের ভাষা হতে পারে না। একজন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হতে পারে না।” এর পরই গিরিরাজ কিমের সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে বলেন, “উত্তর কোরিয়ার কিম জং উন কোনও বিরোধিতা সহ্য করেন না। একই ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নিজের বিরোধীদের সহ্য করতে পারেন না।”
[আরও পড়ুন: মেঘালয় সীমান্তে উদ্ধার ছাত্রলিগ নেতার দেহ! অসুস্থতা না খুন? মৃত্যুর কারণ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন]
উল্লেখ্য, গিরিরাজের ‘কুকথা’ বলাটা একেবারেই নতুন নয়। এর আগেও একাধিক বার বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে এসেছেন তিনি। অতীতে মমতাকেও নিন্দনীয় ভাষায় আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেজন্য তাঁকে সমালোচিতও হতে হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
‘ডিভোর্সের আগে জন্মদিনে দেবশ্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম…’, কোন ‘অভিমান’-এর কথা বললেন প্রসেনজিৎ?
-
নিউ আলিপুর থানার সামনে উত্তেজনা, স্বরূপ অনুগামীদের মার ক্রুদ্ধ জনতার, নামল বাহিনী
-
বৈভবকে নিয়ে আলোচনা বিলেতেও, অন্য দুই দেশের টেস্টেও উঠল ভারতীয় দলে নেওয়ার দাবি
-
‘ববিদাকে ফোন করব’, ফিরহাদের পদত্যাগের পরই জল্পনা বাড়ালেন ‘আসল তৃণমূল’ ঋতব্রত
-
‘ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কচি নয়’, স্বরূপের শ্লীলতাহানি মামলায় রূপার নিশানায় কারা? কী বলছেন স্বপন দাশগুপ্ত?