সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমিধসে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে কেরলের (Kerala) ওয়ানড়। সরকারি হিসেবে মৃত ১৭৭ হলেও বেসরকারি মতে ৩৫০ ডিঙিয়েছে মৃতের সংখ্যা। স্থানীয় মুন্ডাক্কাই এবং চূড়ালমালা নামের দু’টি গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। “গোহত্যাই এত বড় প্রাকৃতিক বিপর্য়ের প্রধান কারণ। যতদিন গোহত্যা চলবে, ততদিন প্রাকৃতিক বিপর্যও চলবে।” দাবি করলেন রাজস্থানের বিজেপি নেতা জ্ঞানদেব আহুজা। মরু রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়কের দাবি ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছে।
টানা বৃষ্টির মধ্যেই গত ৩০ জুলাই কেরলের ওয়ানাড় ভয়াবহ ভূমিধসের সাক্ষী হয়। এখনও জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনাও। ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই আবহে জ্ঞানদেবের আজব মন্তব্যে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গেরুয়া নেতা জ্ঞানদেব বলেছেন, “২০১৮ সাল থেকে দেখছি, যেখানেই গোহত্যা হয়, সেখানেই বিপর্যয় নেমে আসে। গোহত্যা বন্ধ না হলে, এমন আরও বিপর্যয় নেমে আসবে কেরলে।” জ্ঞানদেব দাবি করেছেন, মেঘভাঙা বৃষ্টি হোক বা ভূমিধস, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচলপ্রদেশেও এমন বিপর্যয় ঘটে থাকে, কিন্তু তা কেরলের মতো ভয়াবহ আকার নেয় না। কেরলে গোহত্যা হয় বলেই পরিস্থিতি এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠেছে, সাফ কথা গেরুয়া নেতার।
[আরও পড়ুন: খাদ্যপণ্য অগ্নিমূল্য! তথাপি ‘খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ ভারত’, দাবি করলেন মোদি]
এই প্রথম নয়, আগেও বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে খবরে এসেছেন জ্ঞানদেব। সেবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছিলেন, পাঁচ মুসলিম যুবককে লোক দিয়ে পিটিয়ে মেরেছেন। শুধু তাই নয়, ওই যুবকদের যারা খুন করে, তাদের তিনি জামিনে জেল থেকে বের করিয়ে আনেন। এবার কেরলের বিপর্যয়ের সঙ্গে গোহত্যাকে মিলিয়ে দিলেন। এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপি-র তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে জ্ঞানদেবের মন্তব্যে আপত্তি জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
[আরও পড়ুন: ওয়ানড়ে ধ্বসস্তূপের আড়ালে জীবিত কেউ নেই তো? খোঁজ করছে ডিপ সার্চ রাডার]
সর্বশেষ খবর
-
মোদিকে খুনের ছক! মুম্বইয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেপ্তার ২ যুবক
-
সরকারি নথিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের অরণ্যভূমি, বাস্তব চিত্র কী?
-
হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোড়জোড় তুঙ্গে! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে কী কী রয়েছে?
-
পুজোর আগেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস, খুশির হাওয়া চা বাগানে
-
কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি