Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
BJP MP Live In

‘লিভ ইন সম্পর্ক ব্যাধি’, সংসদে ‘সনাতনী’ সংস্কৃতির পক্ষে সওয়াল বিজেপি সাংসদের

লিভ ইন সম্পর্কের বিরুদ্ধে আইন আনার পক্ষে সাংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১৫:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০২৩, ১৫:৩৭

options
link
‘লিভ ইন সম্পর্ক ব্যাধি’, সংসদে ‘সনাতনী’ সংস্কৃতির পক্ষে সওয়াল বিজেপি সাংসদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লিভ ইন সম্পর্কগুলো আসলে শয়তান। সাংঘাতিক রোগের মতো এই লিভ ইন সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ছে ভারতে। আইন প্রণয়ন করে লিভ ইন সম্পর্ককে বন্ধ করতে হবে। তা না হলে শেষ হয়ে যাবে ভারতীয় সংস্কৃতি। লোকসভার (Loksabha) অধিবেশন চলাকালীন এই মন্তব্য করলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ ধরমবীর সিং। এছাড়াও বিবাহ এবং ডিভোর্স নিয়েও একাধিক কথা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে।

বৃহস্পতিবার অধিবেশনের জিরো আওয়ার চলাকালীন লিভ ইন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন হরিয়ানার (Haryana) বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “সমাজের নতুন ব্যাধি হিসাবে উঠে আসছে এই লিভ ইন সম্পর্ক। পশ্চিমি দুনিয়ায় এই সম্পর্ক খুব জনপ্রিয় হলেও আমাদের সমাজে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই শয়তান। কয়েকদিন আগেই শ্রদ্ধা ওয়াকার ও আফতাব পুনাওয়ালার ঘটনাও দেখেছি আমরা। তারা দুজনও লিভ ইন সম্পর্কেই ছিল।” উল্লেখ্য, লিভ পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করে তার দেহের টুকরো ফ্রিজে রেখেছিল আফতাব। সেই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: গাছ বাঁচাতে গেল প্রাণ! ছোটপর্দার নায়কের গুলিতে ঝাঁজরা ৪]

এই ঘটনার উল্লেখ করে ধরমবীরের মত, “লিভ ইন শুধু আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে তাই নয়, সমাজে হিংসাও ছড়িয়ে দিচ্ছে। এরকম চলতে থাকলে ভারতীয় সংস্কৃতিও ধ্বংস হয়ে যাবে। মন্ত্রীদের কাছে আমার অনুরোধ, লিভ ইন সম্পর্কের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করা হোক।”

শুধু লিভ ইন সম্পর্ক নয়, প্রেম করে বিয়ের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন বিজেপি সাংসদ। তাঁর মতে, প্রেম করে বিয়ে হলেই বিবাহবিচ্ছেদের প্রবণতা বাড়ে। কিন্তু সম্বন্ধ করে বিয়ের ক্ষেত্রে ডিভোর্সের হার খুবই কম বলেই দেখা গিয়েছে। তাছাড়াও প্রেম করে বিয়ে হলে অনেক সময়ে গ্রামের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয়। তাই বাবা-মায়ের সম্মতিতে বিয়ে হওয়াই উচিত। 

[আরও পড়ুন: শুক্রবারই লোকসভায় পেশ এথিক্স কমিটির রিপোর্ট, খারিজ হবে মহুয়ার সাংসদ পদ?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.