Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
হরিয়নায় বিজেপির সরকার

জেজেপির সঙ্গে জোট পাকা, হরিয়ানায় সরকার গড়ছে বিজেপিই

দুষ্মন্ত চৌটালার যাবতীয় শর্ত মানলেন অমিত শাহ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ০৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ০৯:০৯

options
link
জেজেপির সঙ্গে জোট পাকা, হরিয়ানায় সরকার গড়ছে বিজেপিই zoom

নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: হরিয়ানায় সরকার গঠনের ব‌্যবস্থা পাকা করে ফেলল বিজেপি। দুষ্মন্ত চৌটালার দল জননায়ক জনতা পার্টির (জেজেপি) সমর্থনেই হরিয়ানায় বিজেপি দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করতে চলেছে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী এবং জেজেপির উপমুখ্যমন্ত্রী, এই শর্তেই হরিয়ানায় জোট সরকার গঠিত হতে চলেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে দিল্লিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর বাড়িতে হরিয়ানার সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক চলে। রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ শাহর বাড়ির লনে একপাশে বিদায়ী মুখ‌্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার ও অন্যপাশে দুষ্মন্তকে পাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন শাহ ও দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি জে পি নাড্ডা। সেখানেই শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন, “বিজেপি ও জেজেপি মিলেই হরিয়ানায় সরকার গঠন করবে। বিজেপি থেকে মুখ্যমন্ত্রী এবং জেজেপি থেকে উপমুখ্যমন্ত্রী হবে বলেই ঠিক হয়েছে।
হরিয়ানার মানুষ যে রায় দিয়েছেন তাকে মান্যতা দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচন হওয়ার পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগোনো হবে।” হরিয়ানার মানুষের রায় মেনে নিয়েই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে শাহর মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, হরিয়ানায় জাঠেরা যে বিজেপির দিক থেকে মুখ ফিরিয়েছে, তা ভোটের ফলেই স্পষ্ট। হরিয়ানার জনপ্রিয় জাঠনেতা দেবীলালের প্রপৌত্র দুষ্মন্তকে সঙ্গে নিয়ে শাহ জাঠেদের মন পাওয়ার রাস্তা খুললেন বলেই মত বিশেষজ্ঞমহলের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ধর্ষণে অভিযুক্ত বিধায়ক গোপাল কান্ডার শরণাপন্ন, হরিয়ানায় বিতর্কে বিজেপি]

এদিন শাহ মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি ঠিকই। তবে খাট্টার এবং দুষ্মন্তই যে এই দুই পদে বসতে চলেছেন তা একপ্রকার নিশ্চিত। এদিন সন্ধ্যায় শাহর বাড়ির বৈঠকের শুরুতে দলের কার্যনির্বাহী সভাপতি জে পি নাড্ডা, হরিয়ানার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার ও বিজেপি নেতারাই হাজির ছিলেন। ঘণ্টাখানেক পরেই জেজেপি প্রধান দুষ্মন্ত চৌটালাকে সঙ্গে করে শাহর বাড়িতে হাজির হন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। আবার ঘণ্টাখানেক বৈঠক চলার পরেই সকলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছান।এক্ষেত্রে দুষ্মন্তর সঙ্গে অনুরাগের ব্যক্তিগত সম্পর্ক কাজে দিয়েছে। আবার যেহেতু কংগ্রেসের বিরোধিতা করে দেবীলাল আলাদা দল করেছিলেন, তাই কংগ্রেসের সঙ্গে না গিয়ে বিজেপির সঙ্গে যাওয়াটাই সমীচীন মনে করেছেন দুষ্মন্ত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.