Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
BJP

মঞ্চে হিন্দি ভাষণে না, ভোটের বঙ্গে বাঙালি আবেগে শান দিতে বাংলায় জোর বিজেপির

গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো সামনে থেকে বড় বড় কথা না বলে, মেঘনাদের মতো আড়াল থেকে রণকৌশল ঠিক করে যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছেন বনসাল, যাদবরা।

Advertisement
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৬:১১

link
নন্দিতা রায়
নন্দিতা রায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৬:১১

options
link
মঞ্চে হিন্দি ভাষণে না, ভোটের বঙ্গে বাঙালি আবেগে শান দিতে বাংলায় জোর বিজেপির zoom
নির্বাচনী কমিটির বৈঠকে বাংলার প্রার্থীতালিকা স্থির করতে পারে বিজেপি

বাঙালি আবেগকে মাথায় রেখে সতর্ক বিজেপি (BJP)। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কেন্দ্রীয় নেতা মঞ্চ থেকে হিন্দিতে ভাষণ দেবেন না সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। সুনীল বনসাল থেকে ভূপেন্দ্র যাদব, অমিত মালব্য সবার ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য। একমাত্র ব্যতিক্রম বাংলাভাষী বিপ্লব দেব। এবারে বনসাল, যাদবরা জনসমক্ষে না থেকে বন্ধ দরজার ভিতর থেকেই কাজ সারার পক্ষপাতী। শুধু ভাষণ দেওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, প্রকাশ্য রাজনীতি থেকেও অনেকটাই আড়ালে থাকার কৌশল নিয়েছেন এই কেন্দ্রীয় নেতারা। জনসভায় সামনে না এসে সংগঠনের কাজ সেরে ফেলার দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে না আসার নিয়ম মেনে চলছেন প্রথম থেকেই।

বিজেপি সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ নয়, বরং অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। এর আগে বাংলার দায়িত্বে থাকা কৈলাস বিজয়বর্গীয়-সহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা নিয়মিত জনসভায় বক্তৃতা দিতেন এবং সংবাদমাধ্যমের সামনে সরব থাকতেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাংশের মতে, তাতে দলের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়েছে। বাংলার আঞ্চলিক রাজনৈতিক আবহে বাইরের নেতাদের অতিরিক্ত উপস্থিতি অনেক সময় উল্টো প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে বলেই মত তাদের। তাই এবারের নির্বাচনে গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো সামনে থেকে বড় বড় কথা না বলে, মেঘনাদের মতো আড়াল থেকে রণকৌশল ঠিক করে যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছেন বনসাল, যাদবরা। এই পথেই এগোতে চাইছে দলীয় নেতৃত্ব। প্রকাশ্যে কম, কিন্তু সংগঠনের ভিতরে বেশি সক্রিয় থাকার কৌশলই এবার মূল মন্ত্র।

Advertisement

গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো সামনে থেকে বড় বড় কথা না বলে, মেঘনাদের মতো আড়াল থেকে রণকৌশল ঠিক করে যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছেন বনসাল, যাদবরা।

দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বাঙালি ভোটারের মানসিকতা ও আবেগকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে তা অনুভব করেই এবারের নির্বাচনে কৌশল বদল করা হয়েছে। প্রকাশ্যে বড় বড় রাজনৈতিক মন্তব্য বা আক্রমণাত্মক অবস্থান নেওয়ার বদলে সংগঠন মজবুত করার ওপরই জোর দিচ্ছে দল। বিশেষ করে বুথ স্তরের প্রস্তুতি, সাংগঠনিক সমন্বয় এবং নির্বাচনী রণকৌশল তৈরির কাজ অনেকটাই পর্দার আড়ালেই করা হচ্ছে। দলের অন্দরমহলে এই কৌশলকে অনেকেই “নীরব কিন্তু পরিকল্পিত লড়াই” বলে ব্যাখ্যা করছেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতি, ভাষা ও আঞ্চলিক পরিচয়কে সামনে রেখে এই কৌশল গ্রহণ করেছে বিজেপি। আগামী নির্বাচনে এই নতুন পদ্ধতি কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.