Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আশা ভোঁসলে

‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম… কি আর গাইতে পারব?’ সংশয়ে আশা ভোঁসলে

আশার টুইটের উত্তরে নেটদুনিয়ার জবাব দেখার মতো।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ০৯:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ০৯:৪৩

options
link
‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম… কি আর গাইতে পারব?’ সংশয়ে আশা ভোঁসলে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  গোটা দেশজুড়ে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বন্ধের দাবিতে এবং ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তুলে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বার্তার প্রতিবাদে গত মঙ্গলবারই বিশিষ্ট পরিচালক শ্যাম বেনেগাল, অপর্ণা সেন, অনুরাগ কাশ্যপ থেকে মণিরত্নম-সহ সরব হয়েছিলেন ৪৯ বিদ্বজ্জন৷ দেশের এই অস্থির পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের কপালেই পড়েছে ভাঁজ। ‘জয় শ্রীরাম’ থেকে গণপিটুনি, যাবতীয় অসহিষ্ণুতামূলক বিষয়ের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন তাঁরা। যা নিয়ে গোটা দেশ রীতিমতো তোলপাড়৷ যার জন্য শাসক দলের ক্ষোভের মুখেও পড়েছেন তাঁরা। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে পালটা চিঠি দিয়েছে এক বিশিষ্ট দল, যেখানে কঙ্গনা রানাউত, প্রসূন যোশীদের মতো ব্যক্তিত্বদের নাম রয়েছে। এবার সেই আবহেই গা ভাসিয়ে একটি টুইট ছুঁড়লেন গায়িকা আশা ভোঁসলে।

[আরও পড়ুন:  চিঠির পালটা চিঠি, অসহিষ্ণুতা ইস্যুতে এবার মোদির পাশে কঙ্গনা-প্রসূনরা]

Advertisement

কঙ্গনা, প্রসূন, পরিচালক মধুর ভান্ডারকরদের মতো প্রবীণ এই গায়িকাও সেই আবহে গা ভাসিয়ে মোদির সমর্থনে টুইট করেছেন শুক্রবার। যেই টুইটে ওয়েব দুনিয়া আপাতত সরগরম। ঠিক কী লিখেছিলেন আশা ভোঁসলে? “দম মারো দম, বোলো সুবহ শাম, হরে কৃষ্ণ হরে রাম… চিরনতুন সেই গান কি আর গাইতে পারব?” টুইটে ঠিক এমনটাই লিখেছিলেন তিনি। যাবতীয় ইস্যুর সূত্রপাত যে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিকে কেন্দ্র করেই, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। গায়িকা আশা ভোঁসলের টুইটে সেই ইস্যু সম্পর্কিত নানা জল্পনায় রাজনৈতিক মহল আরও সরগরম হল, তা বলাই বাহুল্য। গায়িকার পাশে দাঁড়িয়ে অনেকেই রিটুইট করে বলেছেন, “এই গান আর যেখানেই গান না কেন, পশ্চিমবঙ্গে একদম গাইতে যাবেন না। ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সমস্যা হতে পারে।”

দেশে যেখানে ধর্মের দোহাই দিয়ে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষদের মধ্যে চলছে হানাহানি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবজাতি আজ সংকটাপন্ন। কথায় বলে, শিল্প-সংস্কৃতি-সৃজনশৈলীর কোনও জাত হয় না। তা জাত-ধর্মের উর্ধ্বে। আর সেই বিষয়টিকে পাথেয় করেই দেশের ভিন্ন ময়দানের বিদ্বজ্জনরা জড়ো হয়েছিলেন। সমস্বরে মুখ খুলেছিলেন জয় শ্রীরাম থেকে গণপিটুনি, যাবতীয় অসহিষ্ণুতামূলক বিষয় নিয়ে। বারবার তাঁরা প্রশ্ন ছুঁড়েছেন, ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে কেন দিনের পর দিন এই অসহিষ্ণুতা চলতে থাকবে? “অসহিষ্ণুতা হল একপ্রকার মধ্যযুগীয় বর্বরতা” এই কথার উল্লেখ করে পাশাপাশি তাঁরা দলিত ও সংখ্যালঘুদের উপর বেড়ে চলা হামলার বিরুদ্ধেও সওয়াল করেছিলেন তাঁরা। সেই চিঠিতে সই করেছিলেন খ্যাতনামা চিত্রপরিচালক অপর্ণা সেন, মণিরত্নম, শ্যাম বেনেগাল, কেতন মেটা, অনুরাগ কাশ্যপ, আদুর গোপাল কৃষ্ণন, কৌশিক সেন, সুমন ঘোষ, অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ঋদ্ধি সেন, সংগীত শিল্পী শুভা মুদগল, অনুপম রায়, রূপম ইসলামরা।

[আরও পড়ুন:অস্থিরতা নিয়ে মোদিকে চিঠি, কৌশিক সেনের পর খুনের হুমকি পেলেন অনুরাগ কাশ্যপ]

‘ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা’ নিয়ে পাঠানো চিঠির পালটা দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমর্থনে শুক্রবার চিঠি পেশ করেছিলেন সরকারপন্থী ৬২ জন বিদ্বজ্জন৷ সেই চিঠিতে তাঁরা সাফ জানিয়েছেন, দেশের একতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের চিঠি লিখেছেন দেশের কয়েকজন ‘স্বঘোষিত অভিভাবক’৷ আন্তর্জাতিক মহলে সরকারের ভাবমূর্তি খারাপ করার উদ্দেশে দেশের বিশিষ্টদের একাংশ কাজ করছেন৷ ওই সেই একই চিঠিতে দেশের কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে তাঁরা লিখেছেন, ‘‘মাওবাদী হামলায় যখন মানুষের মৃত্যু হয়েছে, সিআরপিএফ জওয়ানদের প্রাণ গিয়েছে, তখন বিদ্বজ্জনরা চুপ থেকেছেন৷ সন্ত্রাসবাদী হানায় কাশ্মীরে যখন রক্ত ঝড়ছে, তখন তাঁরা মুখ খোলেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন দেশবিরোধী স্লোগান উঠেছে তখনও তাঁদের বলতে শোনা যায়নি৷’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.