Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Boy sells tea

লকডাউনে কর্মহীন মা, চা বিক্রি করে বোনেদের পড়াশোনার খরচ সামলাচ্ছে কিশোর

নেটদুনিয়ায় 'হিরো' বছর চোদ্দোর সুভান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ২২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ২২:৫৭

options
link
লকডাউনে কর্মহীন মা, চা বিক্রি করে বোনেদের পড়াশোনার খরচ সামলাচ্ছে কিশোর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের থাবায় বদলে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। কেউ হারিয়েছেন চাকরি। আবার কেউ হারিয়েছেন প্রিয়জন। নিত্য নৈমিত্তিক কাজের চাপে প্রিয়জন হারানোর যন্ত্রণা না হয় একদিন ফিকে হয়। কিন্তু চাকরি হারানোর ফলে নিজের প্রাণের চেয়ে প্রিয় সন্তানদের মুখে দু’মুঠো অন্ন তুলে দিতে না পারার কষ্ট কী সত্যিই সহ্য করতে পারেন কোনও মা? সত্যি এর উত্তর বোধহয় এক কথায় পাওয়া বড় কঠিন। কিন্তু এই বিপদের দিনে যদি সেই মায়ের পাশে এসে দাঁড়ায় ছোট্ট সন্তান। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে যথাসাধ্য চেষ্টা করে সে। তাতে বোধহয় কিছুটা হলেও লাঘব হয় যন্ত্রণা। কার কথা বলছি নিশ্চয়ই এতক্ষণে বুঝতে পেরেছেন। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন কথা হচ্ছে নেটদুনিয়ার ‘হিরো’ বছর চোদ্দোর সুভানের।

বাবা প্রায় এক যুগ আগে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন। ছেড়ে চলে গিয়েছেন মুম্বইয়ের ভেন্ডিবাজার এলাকার সুভানকে। তাই মা এবং ছোট্ট বোনেদের সঙ্গে বাস কিশোরের। একটি স্কুলবাসে পড়ুয়াদের দেখাশোনার কাজ করে যে পয়সা উপার্জন করেন তা দিয়েই সংসার সামলান কিশোরের মা। এতদিন সেভাবেই ছেলেমেয়ের পড়াশোনা, খাওয়াদাওয়া, শখ, আহ্লাদ যাবতীয় পূরণ করেছেন তিনি। তবে করোনা (Coronavirus) কাঁটায় দিনযাপনের রুটিনে ছেদ পড়ল। স্কুল বন্ধ হতে না হতেই চাকরি হারালেন সুভানের মা। সামান্য যা কিছু সঞ্চয় ছিল তা দিয়ে দিনকয়েক কেটেছে। কিন্তু বর্তমানে হাতে টাকাপয়সা নেই তাঁর। তাই বাধ্য হয়ে সুভানই অর্থ উপার্জন করবে বলে স্থির করে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: লাইলাপুরে চলছে আর্থিক অবরোধ, অসম-মিজোরাম সীমান্তে উত্তপ্ত পরিস্থিতি]

কিন্তু এইটুকু কিশোর কীভাবে টাকা উপার্জন করবে? ভেন্ডিবাজার এলাকার একটি দোকানে চা (Tea) তৈরি করায়। তারপর গোটা এলাকা ঘুরে ঘুরে চা বিক্রি করতে থাকে সে। সুভান জানায়, এভাবে প্রতিদিন ৩০০-৪০০ টাকা উপার্জন করে সে। সামান্য কিছু টাকা নিজের কাছে রেখে বাকিটা তুলে দেয় মায়ের হাতে। সেই টাকা দিয়েই আপাতত দিন গুজরান করছেন সুভানের পরিজনেরা। তবে সকলের মুখে অন্ন জোগাতে গিয়ে নিজের পড়াশোনায় আপাতত ইতি টেনেছে সে। মা আবার কাজ শুরু করলে পড়াশোনা করবে বলেই সিদ্ধান্ত কিশোরের।

দিনকয়েক আগে ‘বাবা কা ধাবা’র বৃদ্ধ দম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যান। তাঁদের পর এবার দায়িত্ববান ছোট্ট সুভানকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় চলছে জোর চর্চা। সকলে ধন্য ধন্য করছে তাকে।

[আরও পড়ুন: মুঙ্গেরের ভাসানে হামলা হিন্দুত্বের উপর আঘাত, বিজেপি চুপ কেন? প্রশ্ন শিব সেনার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.