BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

সন্তানকে বাঁচাতে চিতাবাঘের উপর ঝাঁপালেন মহিলা! সাহস আর বুদ্ধিকে কুর্নিশ

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 21, 2019 3:14 pm|    Updated: April 21, 2019 8:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে, সন্তান খারাপ হতে পারে৷ কিন্তু মা কখনওই খারাপ হতে পারেন না৷ মা মানেই সবসময় সন্তানদের আগলে রাখবেন তিনি৷ সন্তানদের ভাল রাখার জন্য কত ত্যাগস্বীকারই না করেন তাঁরা৷ নিজে বিপদে পড়লেও, সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখাই তাঁর লক্ষ্য৷ এমনই এক মায়ের কীর্তি নিয়ে জোর আলোচনা চলছে৷ 

[ আরও পড়ুন: চামড়াহীন শরীর নিয়ে জন্ম, বিরল রোগাক্রান্ত শিশুকে বাঁচানোর চ্যালেঞ্জ চিকিৎসকদের]

পুণের জুন্নার তালুকার এক মহিলা আখ খেতে কাজ করেন৷ আঠারো মাসের সন্তান এবং স্বামীকে নিয়ে সংসার তাঁর৷ সারাদিনের কাজ সেরে এসে একদিন সন্তানকে নিয়ে বাড়ির সামনেই শুয়ে পড়েছিলেন ওই মহিলা৷ ক্লান্ত দু’চোখে ঘুম আসতে বেশি সময় লাগেনি৷ কিছুক্ষণের মধ্যেই গভীর ঘুমে তলিয়ে গিয়েছিলেন তিনি৷ চোখ বন্ধ থাকলেও আচমকাই  তাঁর কানে আসে চিতাবাঘের গর্জন৷ প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো স্বপ্ন দেখছেন৷ তারপর নিজের পাশে হাত রেখে দেখেন সন্তান নেই৷

কোথায় গেল সন্তান? ভয় পেয়ে যান মহিলা৷ ধড়ফড় করে উঠে বসেন৷ দেখেন ছেলেকে মুখে করে টেনে নিয়ে যাচ্ছে চিতাবাঘ৷ ততক্ষণে ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছে একরত্তি৷ কাঁদতেও পারছে না সে৷ এ দৃশ্য দেখে একপলক থমকে গিয়েছিলেন মহিলা৷ কিন্তু নিজের সন্তানকে যেভাবেই হোক বাঁচাতে হবে৷ তাই চিতাবাঘের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি৷ মারধর করতে শুরু করেন মহিলা৷ তাঁর হামলায় থতমত খেয়ে যায় চিতাবাঘটি৷ আক্রমণের জেরে শিশুকে ছেড়ে সামনের জঙ্গলে চলে যায় সে৷

[ আরও পড়ুন: OMG! মায়ের পেটে বক্সিং যমজ ভ্রূণের, আলট্রাসাউন্ডের ভাইরাল ভিডিওয় শোরগোল]

শিশুটির মুখ, গলা-সহ শরীরের একাধিক জায়গায় ক্ষতচিহ্ন রয়েছে৷ স্থানীয় হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে খুদে৷ ক্ষত মারাত্মক হলেও, শিশুটি আপাতত বিপন্মুক্ত বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা৷ লড়াকু মায়ের এই কাহিনি যে-ই শুনছেন, সে-ই ধন্য ধন্য করছেন৷ অনেকেই বলছেন, যে মা সন্তানকে বাঘের মুখ থেকে বাঁচিয়ে ফিরতে পারেন, তাঁর সন্তান সুস্থ হয়ে ফিরবে না তা হতেই পারে না৷ লড়াকু স্ত্রী-ই এখন গর্ব ওই খুদের বাবার৷ একরত্তিও তবে মায়েরই মতো৷ হাসপাতালের শয্যায় নিজের মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সে-ও৷   

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement