Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

আয়কর থেকে প্রতিরক্ষা, দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বাজেটে থাকতে পারে এই চমকগুলি

আজকের বাজেটের দিকে চেয়ে রয়েছে মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত, কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক সমাজ৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৯, ১০:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৯, ১০:০৪

options
link
আয়কর থেকে প্রতিরক্ষা, দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বাজেটে থাকতে পারে এই চমকগুলি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি উসকে শুক্রবার দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ৷ আগামী এক বছরের জন্য দেশের মানুষের ভাঁড়ারের ব্যবস্থা করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী৷ কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে অর্থব্যবস্থাকে চাঙ্গা করার মতো চ্যালেঞ্জ রয়েছে নির্মলা সীতারমণের সামনে। তাঁর দিকেই চেয়ে রয়েছে দেশের মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত, কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক সমাজ৷ এই বাজেটে, কৃষিজীবী সম্প্রদায়ের নজর রয়েছে প্রতিশ্রুতি মতো তাদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে কী পদক্ষেপ নেয় সরকার সেদিকে। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, এই বাজেটে সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির উপর বিশেষ নজর দেওয়া হবে। গতবারের মোদি সরকারের ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’-এর মতো এবার সবার জন্য পানীয় জল সংক্রান্ত প্রকল্প ঘোষণা হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বাজেট পেশের আগেই চাঙ্গা হয়েছে শেয়ার বাজার৷ বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে সেনসেক্স পৌঁছে গিয়েছে ৪০ হাজার পয়েন্টে৷ 

[ আরও পড়ুন: অবসরের বয়স বাড়াতে চায় কেন্দ্র, বাজেটের আগে ইঙ্গিত অর্থমন্ত্রী নির্মলার ]

Advertisement

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে কী কী অপেক্ষা করছে সাধারণ মানুষের জন্য৷

১- চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লোকসভা ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছিল মোদি সরকার৷ যেখানে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করা হয়। বলা হয় কোনও ব্যক্তির বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ৫ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে, সেক্ষেত্রে তাকে কোনও আয়কর দিতে হবে না। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারনা, অন্তর্বর্তী বাজেটের এই প্রস্তাব, পূর্ণাঙ্গ বাজেটে কার্যকর করতে পারে মোদি সরকার৷ যার ফলে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ স্বস্তি পাবেন৷

২- প্রথম ইনিংসে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষকবিরোধী হওয়ার যে অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা, অন্তর্বর্তী বাজেটে যা কিছুটা খণ্ডনের চেষ্টা করেন তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল৷ লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে দু’হাত খুলে কৃষকদের জন্য বিনিয়োগ ঘোষণা করে সরকার। ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’ প্রকল্পে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কৃষকদের ফি বছর ৬ হাজার টাকা দেওয়ার ঘোষণা করে সরকার। এছাড়া পশুপালক ও মৎস্যজীবীদের জন্য ২ শতাংশ সুদ ভর্তুকির কথাও ঘোষণা করেন পীযুষ গোয়েল। পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এই বরাদ্দা বাড়তে পারে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের৷

[ আরও পড়ুন: ফণীতে নষ্ট ২২ লক্ষ গাছ, ক্ষতিপূরণে ছ’কোটি বৃক্ষরোপণ ওড়িশা সরকারের ]

৩- পূর্ণাঙ্গ বাজেটের সঙ্গে শুক্রবার ঘোষিত হবে রেল বাজেট৷ সমগ্র দেশের পাশাপাশি এই বাজেটের দিকে চেয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গ৷ প্রতিশ্রুতি মতো, বৃহস্পতিবারই রেলমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উত্তরবঙ্গের জন্য বিশেষ রেলের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী৷ সেই দাবি আদৌ পূরণ হয় নাকি, তার দিকে তাকিয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গের মানুষজন৷

৪- অন্তর্বর্তী বাজেটে আগেই দেশের প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিল মোদি সরকার৷ চলতি বছর এই খাতে ৪.৩১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র৷ যা গতবারের তুলনায় ৬.৬ শতাংশ বেশি৷ চিন ও পাক আগ্রাসনের কথা মাথায় রেখে পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এটা মোদি সরকারের বড় পদক্ষেপ হতে পারে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের৷

৫- এছাড়া স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে এবং ডিডিটাল ভিলেজ প্রকল্পে এই বাজেটে চমক থাকতে বলে অনুমান অর্থনৈতিক মহলের৷

[ আরও পড়ুন: জলে ভেসে যাওয়া চারপেয়ে বন্ধুর প্রাণরক্ষা, বানভাসি মু্ম্বইয়ে মানবিক পুলিশ ]

পূর্ণাঙ্গ বাজেটের আগে, বৃহস্পতিবারই রাজ্যসভায় আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। সমীক্ষায়,
চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ স্থির করা হয়েছে। ছ’বছরের মধ্যে ভারতে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারিত হয়েছে। তার জন্য অবশ্য ফি বছর জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ হওয়ায় বাঞ্ছনীয় বলে উল্লেখ রয়েছে সমীক্ষা রিপোর্টে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে লেখেন, “ভারতকে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৯-এর অর্থনৈতিক সমীক্ষা আমাদের কাছে একটি দৃষ্টিভঙ্গির রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি, প্রযুক্তিকে গ্রহণ এবং শক্তির ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ায় আমরা যে সুবিধাগুলো পাচ্ছি সেটাও তুলে ধরেছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.