Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজীবের সাত হত্যাকারীকে মুক্তি নয়, সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র

বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করেছেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৮, ১৯:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০১৮, ১৯:০২

options
link
রাজীবের সাত হত্যাকারীকে মুক্তি নয়, সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজীব গান্ধীর হত্যাকারীদের কোনও অবস্থাতেই জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া চলবে না। সুপ্রিম কোর্টকে সাফ জানিয়ে দিল কেন্দ্র। যদিও রাজীবের খুনিদের ক্ষমা করে দিয়েছেন তাঁর পুত্র কংগ্রেস সভাপতি রাহুল ও কন্যা প্রিয়াঙ্কা। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর হত্যাকারীদের মুক্তি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বক্তব্য, যদি দোষীদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয় তাহলে দেশ ও বিদেশের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত সম্পর্কে ভুল বার্তা পৌঁছবে। কুখ্যাত খুনিদের মুক্তির ঘটনা খারাপ নজির হয়ে রয়ে যাবে।

বেশ কিছুদিন আগে তামিলনাড়ু সরকার রাজীব গান্ধীর সাত হত্যাকারীকে ছেড়ে দেওয়া হোক বলে সুপ্রিম কোর্টের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। তবে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারী দল সিবিআইও দোষীদের মুক্তির বিষয়টিতে বাধা দিয়েছিল। ১৯৯১ সালে ২১ মে তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী প্রচারের সময় এক মহিলা মানববোমার বিস্ফোরণে নিহত হন বর্তমান কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর বাবা রাজীব। প্রাণ হারান নিরাপত্তারক্ষী-সহ ১৬ জন।

Advertisement

তিন তালাক ইস্যুতে ঐক্যমত নয়, ফের সংসদে থমকে গেল বিল ]

এই ঘটনায় জড়িত এলটিটিই জঙ্গি সংগঠনের সাতজন ইতিমধ্যেই ২৭ বছর জেলে কাটিয়েছে। তাদের মুক্তির বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই শীর্ষ আদালতে মামলা চালাচ্ছে তামিলনাড়ু সরকার। এর আগে মুক্তি নিয়ে রাজীব হত্যাকারীদের আরজি খারিজ করে দেন রাষ্ট্রপতি। যদিও সম্প্রতি রাজীব পুত্র রাহুল একটি সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে বলেন, “আমি ও আমার বোন প্রিয়াঙ্কা বাবার খুনিদের ক্ষমা করে দিয়েছি।” উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের আমলেও রাজীব হত্যাকারীরা জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হোক, এই আর্জি জানায় আদালতের কাছে। সেই সময়ও কংগ্রেস নেত্রী তথা রাজীব-পত্নী সোনিয়া গান্ধীও একাধিকবার জানিয়েছিলেন, খুনিদের তিনি ও তাঁর ছেলেমেয়ে ক্ষমা করে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তই শেষ কথা হবে। রাজীব গান্ধীকে শ্রীপেরাম্বুদুরে ষড়যন্ত্র করে হত্যার অভিযোগে দোষী বন্দিদের মধ্যে নলিনী শ্রীহরণ নামে এক মহিলাও আছে। ২০১০ সালে মাদ্রাজ হাই কোর্টে সে প্রশ্ন তোলে, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের ১৪ বছর জেল খাটার পর মুক্ত করা হয়। কিন্তু তারা ২০ বছরেরও বেশি সময় জেলে কাটিয়েছে তাহলে তাদের কেন ছাড়া হচ্ছে না?

কাঁওর যাত্রীদের তাণ্ডবে উদ্বিগ্ন সুপ্রিম কোর্ট, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.