Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
CBI

দুধ ছাড়াই তৈরি ঘি! পাঁচ বছর ধরে তিরুপতি মন্দিরের ভেজাল সরবরাহ উত্তরাখণ্ডের ডেয়ারির

রাসায়নিক মিশিয়ে তৈরি হত এই ভেজাল ঘি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ১৮:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১২, ২০২৫, ১৮:০৯

options
link
দুধ ছাড়াই তৈরি ঘি! পাঁচ বছর ধরে তিরুপতি মন্দিরের ভেজাল সরবরাহ উত্তরাখণ্ডের ডেয়ারির zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঘি তৈরি হত, কিন্তু লাগত না এক ফোঁটা দুধও! শুনতে অবাক লাগলেও ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এ ভাবেই ভেজাল ঘি তৈরি করে আসছে উত্তরাখণ্ডের ভোলেবাবা ডেয়ারি! শুধু তাই নয়, ওই ঘি সরবরাহ হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে। আর তা দিয়েই তৈরি হয়েছে মন্দিরের প্রসাদী লাড্ডু! আদালতে এমনই জানাল সিবিআই। পাশাপাশি, ওই ডেয়ারিকে রাসায়নিক পদার্থ সরবরাহ করার অভিযোগে দিল্লির ব্যবসায়ী অজয়কুমার সুগন্ধকে গ্রেপ্তারও করেন তদন্তকারীরা।

অভিযোগ, ভোলেবাবা ডেয়ারিতে মনোডাইগ্লিসারাইড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড এস্টার-সহ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সরবরাহ করতেন অজয়। তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডুতে অনিয়মের অভিযোগে তদন্তে নেমে আগেই ভোলেবাবা ডেয়ারির দুই প্রধান বিপিন জৈন এবং পোমিল জৈনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) জানায়, দিল্লির ব্যবসায়ী অজয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন বিপিনেরা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁরা পাঁচ বছরে কোনও জায়গা থেকে এক ফোঁটা দুধও সংগ্রহ করেননি। অথচ তৈরি করেছেন ঘি। গত পাঁচ বছরে তিরুপতি মন্দিরে ৬৮ লক্ষ কেজি ঘি সরবরাহ করেছে ভোলেবাবা ডেয়ারি!

Advertisement

উল্লেখ্য, তিরুপতি মন্দিরে প্রসাদে ভেজাল ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। তিরুপতির শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি এবং মাছের তেল ব্যবহার হয়েছে, পূর্ববর্তী জগনমোহন রেড্ডির সরকার থাকাকালীন এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ তোলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন সনাতনীরা। ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত হানার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়।

গত বছরের অক্টোবর মাসে লাড্ডু মামলায় নিরপেক্ষ কমিটি গড়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। পাঁচজন সদস্যকে নিয়ে গঠিত হয় এই কমিটি। সেখানে ছিলেন দুই সিবিআই আধিকারিক, অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের দুই আধিকারিক এবং FSSAI-এর একজন শীর্ষ কর্তা। ৪ মাস পর এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল। এবার আদালতে বিস্ফোরক দাবি করল সিবিআই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.