Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
‘ক্যাফে কফি ডে’

নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন পর উদ্ধার ‘ক্যাফে কফি ডে’র মালিকের মৃতদেহ

মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৯, ০৮:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০১৯, ০৮:৫৯

options
link
নিখোঁজ হওয়ার দু’দিন পর উদ্ধার ‘ক্যাফে কফি ডে’র  মালিকের মৃতদেহ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় দু’দিন পর অবশেষে খোঁজ মিলল ‘ক্যাফে কফি ডে’র প্রতিষ্ঠাতা ভি জি সিদ্ধার্থের৷ বুধবার ভোর রাত সাড়ে চারটের সময় ম্যাঙ্গালুরুর হইগে বাজারের কাছে নেত্রাবতী নদী থেকে উদ্ধার হল তাঁর মৃতদেহ৷ প্রথমে একজন মৎস্যজীবী তাঁর দেহটি নদীতে ভেসে উঠতে দেখেন৷ তারপর তিনিই খবর দেন পুলিশকে৷ এবং এরপরই উদ্ধার হয় কর্ণাটকের প্রাক্তন কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী তথা অধুনা বিজেপি নেতা এস এম কৃষ্ণার জামাইয়ের নিথর দেহটি। যদিও মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনও বজায় রয়েছে ধোঁয়াশা৷

[ আরও পড়ুন: অপর্ণা সেনদের বিরোধিতা, প্রধানমন্ত্রীকে রক্তে লেখা চিঠি পাঠাল হিন্দু মহাসভা ]

ম্যাঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার সন্দীপ পাটিল বলেন, ‘‘আজ খুব ভোরের দিকে নদীর তটের কাছে সিদ্ধার্থর দেহটি ভেসে উঠতে দেখা যায়৷ ইতিমধ্যে আমরা তাঁর পরিবারের লোকদের খবর দিয়েছি৷ শীঘ্রই ময়নাতদন্তের জন্য আমরা দেহটি হাসপাতালে পাঠাব৷ তারপর পর সব তথ্য পাওয়া যাবে৷ এবং এই ঘটনার পরবর্তী তদন্ত শুরু হবে৷’’ এই মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভি জি সিদ্ধার্থের পরিবার-সহ ভারতের সবচেয়ে বড় ক্যাফে চেনের কর্মীদের মধ্যেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া৷ পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম দুশ্চিন্তা৷

[ আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফের গুলির লড়াই, খতম শীর্ষ জইশ জঙ্গি-সহ ২ ]

জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে বেঙ্গালুরু থেকে ম্যাঙ্গালুরুর দিকে রওনা দেন সিদ্ধার্থ। মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে নেমে যান তিনি। পুলিশের অনুমান, এরপরই উলাল সেতু থেকে নেত্রাবতী নদীতে ঝাঁপ দেন তিনি। সোমবার রাত থেকেই শুরু হয় উদ্ধারকার্য৷  উদ্ধার হয় একটি রহস্যময় চিঠি। যেখানে সিসিডি মালিককে চরম হতাশা ব্যক্ত করতে দেখা গিয়েছে৷ তিনি লিখেছিলেন, উন্নতির পথে বারবার ব্যর্থ হয়েছেন। যাঁরা তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন, তাঁদেরও তিনি হতাশ করেছেন৷ সেজন্য তিনি দুঃখিত। এই চিঠি পাওয়ার পরেই পুলিশ অনুমান করে যে, ব্যবসায় বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন ভি জি সিদ্ধার্থ৷ এবং সেই কারণেই চরম হতাশায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি৷ 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.