Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Swiggy and Zomato Probe

বিশেষ কিছু রেস্তরাঁকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে , তদন্তের মুখে সুইগি এবং জোম্যাটো

দু'মাসের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট দেবেন ডিজি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২২, ১৩:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২২, ১৩:১৫

options
link
বিশেষ কিছু রেস্তরাঁকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে , তদন্তের মুখে সুইগি এবং জোম্যাটো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার বড় সড় অভিযোগের মুখে পড়েছে সুইগি (Swiggy) এবং জোম্যাটো (Zomato)। অনলাইন ফুড ডেলিভারি অ্যাপ দু’টির বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কিছু সংস্থাকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া অর্থাৎ সিসিআইয়ের (CCI) তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু রেস্তরাঁকে স্বাধীনভাবে খাবার বিক্রি করতেও বাধা দিচ্ছে এই দুই সংস্থা। নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থপূরণের উদ্দেশে বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ নষ্ট করে দিচ্ছে এই দুই সংস্থা, এমনটাই দাবি করেছে সিসিআই। এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তের (Investigation) নির্দেশ দিয়েছে সিসিআই। ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

দেশের রেস্তরাঁ সংগঠন এবং জোম্যাটোর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তের (Probe) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর আগেও গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ (Complaint) উঠেছিল জোম্যাটোর বিরুদ্ধে। ব্যবসার পরিবেশ নষ্ট করা ছাড়াও আরও কয়েকটি অভিযোগ উঠেছে এই দুই ফুড ডেলিভারি অ্যাপের বিরুদ্ধে। গ্রাহকরা অ্যাপ খুললেই যেসব রেস্তরাঁর নাম দেখতে পান, সেগুলিও নিজেরাই ঠিক করে রাখে সুইগি এবং জোম্যাটো। এই বিশেষ রেস্তরাঁগুলিকে অনৈতিক ভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে দেশের রেস্তরাঁ সংগঠনের পক্ষ থেকে। এছাড়াও ব্যাপক ছাড় দেওয়া হয় এই অ্যাপগুলিতে, ফলে ক্রেতারা সরাসরি রেস্তরাঁ থেকে খাবার কেনার পরিবর্তে অ্যাপ থেকেই খাবার কিনতে পছন্দ করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের ঝালদাকাণ্ডে ভাইরাল অডিও! ‘তৃণমূলে আসতেই হবে’, নিহত কংগ্রেস কাউন্সিলরকে চাপ দলীয় কর্মীর]

এখানেই শেষ নয়। এই দুই অ্যাপ নিজেরা ক্লাউড কিচেন খুলে অন্য রেস্তরাঁগুলিকে বঞ্চিত করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ক্লাউড কিচেন অর্থাৎ এমন রেস্তরাঁ যেখানে বসে খাওয়া যায় না, শুধুই ডেলিভারি করা হয় খাবার। অনেকে বাড়ি থেকেও এরকম ভাবে খাবার সরবরাহ করে থাকেন। সুইগি এবং জোম্যাটোও এমনটাই করছে বলে দাবি করেছে দেশের রেস্তরাঁ সংগঠন। রেস্তরাঁগুলি সুইগি এবং জোম্যাটো ছাড়া অন্য কোনও ওয়েবসাইটে নিজেদের পণ্যের দাম কম রাখতে পারবে না, এমন ফতোয়াও জারি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই প্রসঙ্গে পালটা মুখ খুলেছে সুইগি এবং জোম্যাটো। “দামের সমতা রাখার একটি বিধি আছে আমাদের। কিন্তু সেটি কেবলমাত্র ব্যবহার করা হয় যাতে রেস্তরাঁর তরফ থেকে সকল ক্ষেত্রেই সমান দাম রাখা যায়”, এমনটাই দাবি করেছে সুইগি। অ্যাপের মাধ্যমে খাবার অর্ডার করলে আদতে গ্রহকরই উপকৃত হন, এই দাবি করে ফুড ডেলিভারি অ্যাপ দুটি জানিয়েছে, “আমাদের কারণে ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার কোনও ক্ষতি হচ্ছে না।

[আরও পড়ুন: বরোদিয়াঙ্কায় অপেক্ষা করছে আরও ভয়াবহ দৃশ্য, বুচা গণহত্যার পর দাবি জেলেনস্কির]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.