BREAKING NEWS

৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

প্রথম দফায় করোনার টিকা পাবেন ৩০ কোটি ভারতীয়, কারা ঠাঁই পাচ্ছেন কেন্দ্রের তালিকায়?

Published by: Sayani Sen |    Posted: November 8, 2020 2:42 pm|    Updated: November 8, 2020 2:42 pm

An Images

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২১ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই অন্তত ৩০ কোটি ভারতীয়কে টিকাকরণ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন এ কথা জানিয়েছেন। তবে কাদের কাদের প্রথমে টিকাকরণ (Vaccine) করা হবে, সেই নিয়ে সিদ্ধান্তও ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়ে গিয়েছে। আপাতত চারটি শ্রেণি তৈরি করা হয়েছে।

প্রথমেই রয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। এই বিভাগে অন্তত ১ কোটি চিকিৎসাকর্মী যেমন ডাক্তার, নার্স, আশাকর্মী, এমবিবিএস পড়ুয়াদের কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিতে থাকছেন ‘ফ্রন্টলাইন ওয়াকার্স’। অন্তত ২ কোটি ‘ফ্রন্টলাইন ওয়াকার্স’ যেমন পুরকর্মী, পুলিশ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের টিকাকরণ করা হবে। তৃতীয় শ্রেণিতে থাকছেন প্রবীণ নাগরিকরা। ২৬ কোটি প্রবীণ নাগরিক, যাঁদের বয়স ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে, যাঁদের ভাইরাস সংক্রমণ থেকে প্রাণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, তাঁদের টিকা দেওয়া হবে। আর চতুর্থ বিভাগে রয়েছেন বিশেষ কিছু মানুষজন, যাদের বয়স ৫০-এর নিচে হলেও এরা নানা ধরনের কোমর্বিডিটিতে ভুগছেন এবং এদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এই বিভাগে অন্তত ১ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে এই চার বিভাগের জন্য নামের তালিকা তৈরি করতে।

[আরও পড়ুন: ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় বানচাল কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, খতম পাকিস্তানি জঙ্গি]

অন্যদিকে, করোনা ভাইরাস (Coronavirus) মোকাবিলায় আপাতত দেশীয় প্রতিষেধকের উপরই ভরসা রাখছে ভারত। এর কারণ, চলতি সপ্তাহেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাদের তৈরি কোভিড টিকার ‘ডেলিভারি’ স্থগিত রাখা হচ্ছে। যার জেরে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার সিইও, আদর পুনাওয়ালাও সম্প্রতি জানিয়েছিলেন, যদি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার ট্রায়াল পরিকল্পনামাফিকভাবেই এগোয়, তাহলে জানুয়ারিতে ভারত কোভিড টিকা হাতে পাবে। অন্যদিকে, চিনের সাইনোভ্যাক, ক্যানসিনো বায়োলজিকস এবং চিনের ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপও তাদের টিকার প্রস্তুতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে কিন্তু সব ক্ষেত্রেই ট্রায়ালের তথ্য হাতে পেতে সময় লাগছে। এই পরিস্থিতিতেই তাই নয়াদিল্লির লক্ষ্য এসে দাঁড়িয়েছে দেশীয়ভাবে প্রস্তুত টিকার উপরই।

[আরও পড়ুন: সাধারণ নাগরিকদের করোনা ভ্যাকসিন পেতে পেতে ২০২২, জানালেন এইমসের ডিরেক্টর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement