সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: প্রকাশ্যে চলে এল নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) আরও এক ‘জুমলা’। এবার আর বিরোধীরা নয়। খোদ কেন্দ্রীয় সরকারই মেনে নিল কতখানি ভাঁওতা ছিল ২০১৪ সালের আগে মোদির প্রতিশ্রুতিতে। কেন্দ্র জানাল, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা, ব্যাংক -সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশজুড়ে পয়লা মার্চ পর্যন্ত সাড়ে ন’ লক্ষেরও বেশি শূন্যপদ রয়েছে।
ক্ষমতায় আসার ঠিক আগে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি, তার মধ্যে অন্যতম ক্ষমতায় এলে বছরে দু’ কোটি চাকরি দেবে তার সরকার। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, গত সাড়ে ন’ বছরে ১৯ কোটি কর্মসংস্থান তো দূর, উলটে শূন্যপদের পরিমাণ ন’ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩৫৯। কলকাতা দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ মালা রায় জানতে চান, ৩০ জুন পর্যন্ত গত দশ বছরে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থায় কত শূন্যপদ রয়েছে। সেগুলি প্রতিবছর পূরণ হয়েছে কিনা। জবাবে কেন্দ্র জানায়, চলতি বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত ন’ লক্ষ ৬৪ হাজার ৩৫৯ শূ্ন্যপদ রয়েছে।
[আরও পড়ুন: যৌনতার ফাঁদ পেতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে ব্ল্যাকমেল করার চেষ্টা! গ্রেপ্তার দুই]
পদ পূরণ প্রসঙ্গে কোনও তথ্য না দিয়ে শুধু জানানো হয়, স্টাফ সিলেকশন বোর্ড, রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড-সহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে এই পদ পূরণ হয়। এই ধরনের অর্ধেক জবাব পাওয়ার পর ক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জুমলার প্রমাণ কেন্দ্র নিজেই দিয়ে দিল। উনি নাকি বছরে দু’ কোটি করে চাকরি দেবেন। দেশের বেকার যুবদের এই মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবার নির্বাচন আসে, মিথ্যার ঝুলি কাঁধে চাপিয়ে বেরিয়ে পড়েন। মনে রাখবেন বারবার মিথ্যে বলে পার পাওয়া যায় না। দেশের মানুষ আপনার মিথ্যে ধরে ফেলেছে। এবার তার প্রমাণও পেয়ে যাবেন।”
[আরও পড়ুন: অসমের হত্যাকাণ্ড লাভ জেহাদ, বিস্ফোরক দাবি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার]
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা