Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Delhi

দিল্লি দরবার কার? আমলাতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে সুপ্রিম নির্দেশ উড়িয়ে অধ্যাদেশ মোদি সরকারের

প্রশাসনিক ক্ষমতার রাশ নিজেদের হাতে রাখতে মরিয়া উভয়পক্ষই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৫:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৩, ১৫:৫১

options
link
দিল্লি দরবার কার? আমলাতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে সুপ্রিম নির্দেশ উড়িয়ে অধ্যাদেশ মোদি সরকারের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি দরবারের দখল নিয়ে তুঙ্গে কেন্দ্র বনাম কেজরি সরকারের লড়াই। প্রশাসনিক ক্ষমতা ও আমলাতন্ত্রের রাশ নিজেদের হাতে রাখতে মরিয়া উভয়পক্ষই। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পদস্থ আমলাদের বদলির অধিকার বর্তেছিল দিল্লি সরকাররের হাতেই। এবার সেই সুপ্রিম রায় বাতিল করে নতুন অধ্যাদেশ আনল কেন্দ্রের মোদি সরকার।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে The Government of CNCT of Delhi (Amendment) ordinance শীর্ষক একটি অধ্যাদেশ আনে কেন্দ্র। গঠন করা হয় ‘ন্যাশনাল ক্যাপিটাল সিভিল সার্ভিসেস অথরিটি’। ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি অফ দিল্লি অ্যাক্ট, ১৯৯১-কে সংশোধন করে এই অধ্যাদেশ এনেছে মোদি সরকার। ফলে সুপ্রিম রায় বাতিল হয়ে ফের একবার দিল্লির আমলাদের বদলির ক্ষমতা চলে গেল কেন্দ্রীয় সরকারের হাতেই। নয়া অধ্যাদেশের ফলে আমলা বদলির ক্ষেত্রে ফের ‘সর্বশক্তিমান’ হয়ে উঠলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। অধ্যাদেশটিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দিল্লি প্রশাসনে কর্মরত গ্রুপ-এ আমলাদের বদলি তথা নতুন পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে শেষ কথা বলবেন উপরাজ্যপালই। তবে এই অর্ডিন্যান্স সদনের দুই কক্ষে পাশ করতে হবে সরকারকে। এবং রাজ্যসভায় এই মুহূর্তে সংখ্যালঘু বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা হতে পারে বিরোধীরা। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদি সরকারের হাত ধরে দেশে ফিরল নোটবাতিলের আতঙ্ক! তোপ কংগ্রেস-তৃণমূলের]

উল্লেখ্য, সেই ২০১৮ সাল থেকে উপরাজ্যপালের ক্ষমতা এবং দিল্লি (Delhi) সরকারের সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। সেই মামলায় ৫ সদস্যের এক সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন হয়। দিন দশেক আগে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের (DY Chandrachud) নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, উপরাজ্যপাল নয়, আসল প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকা উচিত নির্বাচিত সরকার এবং মন্ত্রিসভার হাতেই।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের এই অধ্যাদেশকে ‘আদালত অবমাননা’র সামিল বলে অভিযোগ তুলেছে দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি। তবে অতীতে যে এমন ঘটনা ঘটেনি তা নয়। শাহ বানো অ্যালিমনি মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সরকারও ‘সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায়’ সুপ্রিম কোর্টের রায় বাতিল করে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

[আরও পড়ুন: মাদকাসক্ত ও পাচারকারীদের মৃত্যু হলে কবর দেওয়া যাবে না, ঘোষণা অসমের এই জেলায়]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.