Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Chandrababu Naidu

গ্রেপ্তারির পর মধ্যরাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ! ১৪ দিনের জেল হেফাজতে চন্দ্রবাবু নায়ডু

আগেই চন্দ্রবাবুর জামিনের আবেদন খারিজ করেছিলেন বিচারক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩, ২০:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩, ২০:১৫

options
link
গ্রেপ্তারির পর মধ্যরাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ! ১৪ দিনের জেল হেফাজতে চন্দ্রবাবু নায়ডু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুকে। এবার তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত।

শনিবার তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবুকে গ্রেপ্তার করে নান্দিয়াল পুলি। পূর্ব গোদাবরী জেলায় তাঁর ছেলে নারা লোকেশকেও আটক করে অন্ধ্র পুলিশ। ২০২১ সালে স্কিল ডেভলপমেন্ট দুর্নীতির মামলায় চন্দ্রবাবুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারির পর গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত চলে জিজ্ঞাসাবাদ। আজ রবিবার সকালে তাঁক বিজয়ওয়াড়ার দুর্নীতি বিরোধী আদালতে পেশ করা হয়। বিচারপতি তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চিনা আগ্রাসনের পালটা কৌশলী নয়াদিল্লি! লাদাখে তৈরি হবে বিশ্বের উচ্চতম সামরিক বিমানঘাঁটি]

পুলিশ জানিয়েছিল, এই মামলার সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ আদালতে পেশ করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। পুলিশকে সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছিলেন চন্দ্রবাবু। আগেই চন্দ্রবাবুর জামিনের আবেদন খারিজ করেছিলেন বিচারক। এদিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দিলেন। জানা গিয়েছে, আদালত থেকে প্রথমে বিজয়ওয়াড়ার এসআইটির অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। সেখান থেকে আগামিকাল, সোমবার ভোরে রাজামুন্দ্রির জেলে পাঠানো হবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি মামলায় ২৫ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে সিআইডি। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, সেখানে নাম চন্দ্রবাবুর নাম ছিল না। পুলিশের দাবি, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাম উঠে আসে। তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিআরপিসি-র ৫০-এর এক এবং দুই ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে নায়ডুর বিরুদ্ধে। এছাড়া ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৩টি ধারাতেও অভিযোগ আনা হয়েছে। তার মধ্যে আছে ১২০-র আট, ১৬৬, ১৬৭, ৪১৮, ৪২০, ৪৬৫, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৯, ২০১ ১০৯, ৩৪ এবং ৩৭ নম্বর ধারা।

[আরও পড়ুন: বড়সড় সাফল্য এসটিএফের, ৩৫ লক্ষ টাকার মাদক-সহ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার ৭]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.