গত সপ্তাহেই টাটা (Tata) সন্সের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন এন চন্দ্রশেখরন। গত ছ’মাস ধরে টাটা ট্রাস্ট ও টাটা সনসের বোর্ডে তৈরি হওয়া সংঘাতের জেরে এই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি প্রধান। এবার জানা গেল, চন্দ্রশেখরন এবং টাটা ট্রাস্টসের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা আলাদাভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন সম্প্রতি। এবং সেই বৈঠকে তাঁরা আলাদা করে নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের দিকনির্দেশ থেকে চন্দ্রশেখরনের পুনর্নিয়োগের মতো বিষয়ে মতামত দিয়েছেন বলে দাবি এক সংবাদমাধ্যমের। তবে, আলোচনার সঠিক তারিখ এবং বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা যায়নি। এদিকে ১৮ অগস্ট টাটা সনসেরর বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরেও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।
২০১৭ সালে টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেন এন চন্দ্রশেখরন। আগামী বছর ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি নিয়ে দোলাচলের জেরেই ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রশেখরন। এবার জানা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের জুনে, নোয়েল টাটা আরবিআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন এবং টাটা সন্সের সম্ভাব্য তালিকাভুক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এই বিষয়ে টাটা ট্রাস্টের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, এই পদক্ষেপ কোম্পানির ওপর ট্রাস্টের নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে দেবে। একজন ট্রাস্টি যুক্তি দিয়েছেন যে, টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এবং ট্রাস্টের চেয়ারম্যানের মধ্যে বারবার ঘটে চলা উত্তেজনা একটি পদ্ধতিগত সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে, যার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী সমাধান প্রয়োজন। বলে রাখা ভালো, টাটা ট্রাস্টের কাছে টাটা সন্সের প্রায় ৬৬% শেয়ার রয়েছে।
আরও পড়ুন:
২০১৭ সালে টাটা গোষ্ঠীর প্রথম নন-পার্সি চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব নেন এন চন্দ্রশেখরন। আগামী বছর ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর মেয়াদবৃদ্ধি নিয়ে দোলাচলের জেরেই ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রশেখরন।
প্রসঙ্গত, কোনও কর্পোরেট গোষ্ঠীর বিষয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে জানানোর বিষয়টা একেবারেই অসচরাচর ঘটনা। তবে এক্ষেত্রে টাটা গোষ্ঠীর নেতৃত্ব নিজেরাই কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে, টাটা গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরকারের আগ্রহ নতুন নয়। ২০২৫ সালে নোয়েল টাটা টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হওয়ার পর ট্রাস্টগুলির মধ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর ফলে নোয়েল টাটা, চন্দ্রশেখরন, ভেনু শ্রীনিবাসন এবং অন্যান্য ট্রাস্টিরা ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করেন। উদ্দেশ্য ছিল ট্রাস্টগুলির মধ্যে মতপার্থক্য দূর করা এবং টাটা সনসের কর্পোরেট কাঠামো সম্পর্কিত প্রস্তাবিত নিয়মকানুনগুলি বোঝা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তিন ওভার, হাতে এক উইকেট! অজি বোলিং বিক্রম সামলে নাটকীয় টেস্ট ড্র ভারতের তরুণ তুর্কিদের
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের