Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Karnataka Muslim quota

মুসলিমদের সংরক্ষণ দিতে সংবিধান বদলের ছক! কংগ্রেসকে আক্রমণ বিজেপির, উত্তাল রাজ্যসভা

কর্নাটকের মুসলিম সংরক্ষণ ইস্যু নিয়ে এবার উত্তাল সংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৫, ১৫:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৫, ১৫:৫৮

options
link
মুসলিমদের সংরক্ষণ দিতে সংবিধান বদলের ছক! কংগ্রেসকে আক্রমণ বিজেপির, উত্তাল রাজ্যসভা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্নাটকের মুসলিম সংরক্ষণ ইস্যু নিয়ে এবার উত্তাল সংসদ। বিজেপির অভিযোগ, মুসলিমদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য সংবিধান বদলের ছক কষছে কংগ্রেস। কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার নিজের মুখেই সংবিধান বদলের কথা বলেছেন। যদিও কংগ্রেস বলছে, বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান কেউ বদলাতে পারবে না। যদি কারও সংবিধান বদলের ছক থাকে, তাহলে সেটা বিজেপির।

আসলে শুক্রবারই কর্নাটক বিধানসভায় মুসলিম সংরক্ষণ বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। এই বিলে রাজ্যপাল সম্মতি দিলেই কর্নাটকে সরকারি চুক্তির ক্ষেত্রে ৪ শতাংশ সংরক্ষণ পাবে সংখ্যালঘুরা। সংখ্যালঘুদের ওবিসি বি’র অন্তর্ভুক্ত করে সংখ্যালঘুদের ওই সংরক্ষণ দেওয়া হবে। বিজেপি বিল পেশের সময়ই প্রবল আপত্তি জানায়। গেরুয়া শিবিরের দাবি, কর্নাটকের ওই সংরক্ষণ আইন সংবিধান বিরোধী। আরএসএস বলছে, বাবাসাহেব আম্বেদকর যে সংবিধান প্রণয়ন করেছেন, তাতে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণকে গ্রহণ করা যায় না। যারাই এটা করছে, তারাই সংবিধান প্রণেতাদের বিরুদ্ধে যাচ্ছে। এভাবে সংরক্ষণ গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু বিজেপি বা আরএসএসের সেই প্রতিবাদকে তোয়াক্কা না করেই বিল পাশ হয়েছে। রবিবার এই সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে কর্নাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বলে গিয়েছেন, পিছিয়ে পড়া এবং অনগ্রসরদের মূলধারায় আনতে সংরক্ষণ দেওয়া হবেই। দরকারে সংবিধানও বদলাতে পারে।

Advertisement

শিবকুমারের সেই মন্তব্য হাতিয়ার করেই মঙ্গলবার রাজ্যসভায় সরব হন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি সরাসরি রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “কংগ্রেসের একজন বর্ষীয়ান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বলেছেন, মুসলিমদের সরকারি টেন্ডারে সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য তাঁরা সংবিধান বদলে ফেলবেন। এই মন্তব্যকে কোনওভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। এটা সংবিধানের উপর আঘাত।” রিজিজুর বক্তব্য, “মুসলিমদের সংরক্ষণের কথা বলে আম্বেদকরকেও অপমান করেছে কংগ্রেস। আবারও দেশভাগ চাইছে ওরা।”

রিজিজুর কটাক্ষের জবাব দিতে গিয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেন, “কেউ সংবিধান বদলাতে পারবে না। সংবিধানেই সংরক্ষণের অধিকারের কথা লেখা আছে। সেটা কেউ শেষ করতে পারবে না। সংবিধান রক্ষার জন্য আমরা কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী যাত্রা করেছি। বিজেপিই ভারতকে ভাঙার চেষ্টা করছে।” খাড়গের সেই জবাবি ভাষণের মধ্যেই ট্রেজারি বেঞ্চ থেকে স্লোগান দেওয়া শুরু হয়। একযোগে স্লোগান দেওয়া শুরু করেন এনডিএ’র সাংসদরা। বাধ্য হয়ে অধিবেশন মূলতুবিও করতে হয় চেয়ারম্যান জগদীপ ধনকড়কে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.