২৩ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ৮ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

নাচ থামাতেই নর্তকীকে গুলি, বিয়ের আসরে অঘটন উত্তরপ্রদেশে

Published by: Paramita Paul |    Posted: December 6, 2019 3:56 pm|    Updated: December 6, 2019 4:00 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘নাচ বাসন্তি নাচ, নেহি তো গোলি চাল যা যায়েগি!’

শোলে সিনেমার সেই বিখ্যাত দৃশ্যে বাসন্তি শেষপর্যন্ত নেচেছিলেন। তাই আর গুলি চালায়নি গব্বর। কিন্তু বাস্তবে, বাসন্তির নাচ থামতেই চলল গুলি। আর তাতেই গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন খোদ বাসন্তিই। এমনই নৃশংশ ঘটনা ঘটল যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশের চিত্রকূটের প্রধানের মেয়ের বিয়েতে।

 ১ ডিসেম্বর, রবিবার চিত্রকূটে গ্রামের প্রধান সুধীর সিং প্যাটেলের মেয়ের বিয়ে ছিল। সেই অনুষ্ঠানে  দেদার খানাপিনার সঙ্গে নাচগানের আসরও বসেছিল। আসরে বাইরে থেকে একটি দলও অনুষ্ঠান করতে আসে। মঞ্চে অনুষ্ঠান চলার সময় হঠাৎই এক যুবতী নাচ থামিয়ে দেন। এরপরই বিপত্তি। তাকে বারবার বলা সত্বেও নাচ না শুরু করায় গুলি চালিযে দেয় কনেরই এক আত্মীয়। বিয়েবাড়িতে আগত অতিথিদের ক্যামেরাই গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে। পরে সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনও।ইতিমধ্যে দুজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন : ‘মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বলবেন আলোচনায় রাজি আছি’, সংঘাতের মাঝে সমঝোতার সুর রাজ্যপালের]

 এক মিনিটের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চের উপর ওই বছর চব্বিশের যুবতীর নাচ বন্ধ করে দিতেই এক মদ্যপ ব্যক্তি বলতে থাকে, “গুলি চালিয়ে দেব কিন্তু। গুলি চালিয়ে দেব।” সঙ্গে সঙ্গে পাশ থেকে আরেক যুবক বলে ওঠে, “সুধীর ভাই, গুলি চালিয়ে দাও।” যেমন কথা তেমনই কাজ। কথা শেষ হওয়ামাত্রই পিছন থেকে ওই মেয়েটিকে গুলি করা হয়। গুলিটি মেয়েটির সোজা মুখে গিয়ে লাগে। তখনই মঞ্চেই লুটিয়ে পড়ে সে। ঘটনার আকস্মিকতায় চমকে যায় উপস্থিত সকলেই।

[আরও পড়ুন : দাউদাউ করে জ্বলছিল শরীর, উন্নাওয়ের নির্যাতিতাকে ডাইনি ভেবে চম্পট দেয় পথচারীরা]

জানা গিয়েছে, মঞ্চে সেই সময় বরের মামা মিথিলেশ ও অখিলেশও ছিলেন। তাঁরাও নাকি জখম হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রধানের পরিবারের কোনও এক সদস্য গুলি চালিয়েছিল। অজ্ঞাতপরিচয় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পাত্রের কাকা রামপ্রতাপ। এক পুলি্শ আধিকারিক অঙ্কিত মিত্তল জানান, ‘আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’ এদিকে ওই মহিলা কানপুরের এক হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement