সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত দু’দিনে ছত্তিশগড়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় মাও হামলা হয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন দুই জওয়ান। এহেন আতঙ্কের আবহেই ছত্তিশগড়ে শুরু হল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। এই পর্বে মোট ১৯ টি জেলার ৭২ টি আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। সকাল ৮ থেকে ভোট শুরু হয়েছে, চলবে ৫ টা পর্যন্ত। এই পর্বে যে জেলাগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রাজধানী রাইপুর, আর্থিকভাবে সম্পন্ন দুই শহর ভিলাই এবং বিলাসপুর। এর মধ্যে বিলাসপুরে গতকালই মাও হামলা হয়। সেই অর্থে মাও অধ্যূষিত এলাকা না হলেও আতঙ্ক যে রয়েছেই তা আঁচ করতে পেরেছে প্রশাসনও। আর সেকারণেই ভোটগ্রহণ ঘিরে আজ সকাল থেকে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে মোতায়েন রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ান। জায়গায় জায়গায় চলছে টহলদারি এবং তল্লাশি।
Voting has begun for the second and final phase of polling on 72 seats. Visuals from a polling booth in Ambikapur #ChhattisgarhElections2018 pic.twitter.com/FybsqIZN17
Advertisement— ANI (@ANI) November 20, 2018
[ঘুষ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বিস্ফোরক অভিযোগ সিবিআই আধিকারিকের]
দ্বিতীয় পর্বে ভোটগ্রহণ হচ্ছে মোট ১৯টি জেলায়৷ মোট ভোটার প্রায় দেড় কোটি। মূলত দ্বিমুখী লড়াই দেখেই অভ্যস্ত ছত্তিশগড়। তবে এই প্রথম রাজ্যে মূল লড়াই ত্রিমুখী। কংগ্রেস-বিজেপি যুযুধান দুই পক্ষের তৃতীয় শক্তি হিসেবে উঠে আসছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অজিত যোগীর দল জনতা কংগ্রেস। যোগীর আশা ভোট শেষে কিং মেকার হবেন তিনিই। যদিও তাঁর দাবি, ভোটের পর একার শক্তিতেই সরকার গড়বে জনতা কংগ্রেস। এই তিন শক্তি ছাড়াও এবারে লড়াইয়ে আছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, গণ্ডোয়ানা গণতন্ত্র পার্টি এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।
[রাজধানীতে পিছোল বিজেপি বিরোধী রণকৌশল নির্ধারণ বৈঠক]
হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা কংগ্রেসের সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর ফেস ভূপেশ বাঘেল, রয়েছেন ছত্তিশগড় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা টি এস সিং দেও এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চন্দ্রদাস মোহন্ত। বিজেপির তরফে হেভিওয়েটদের মধ্যে রয়েছেন প্রদেশ সভাপতি ধর্মলাল কৌশিক, রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রিজমোহন আগরওয়াল এবং রাজেশ মুনাত। অন্যদিকে, জনতা কংগ্রেসের তরফে যোগী পরিবারের তিন সদস্যই লড়াই করছেন। লড়ছেন খোদ অজিত যোগী, তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়িকা রেণু যোগী এবং পুত্রবধূ রিচা যোগী। গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির থেকে ১ শতাংশেরও কম ভোট পেয়েছিল কংগ্রেস। তাদের আশা এবারে ১৫ বছরের রমণ সিং সরকারের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে হাত-শিবির। কিন্তু অজিত যোগীর তৃতীয় ফ্রন্ট কংগ্রেসের সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিতে পারে বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
সর্বশেষ খবর
-
বদলে যাবে সোদপুর ও খড়দহ স্টেশনের নাম! রেলমন্ত্রকে প্রস্তাব মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তীর
-
অধিনায়কত্ব খোয়াচ্ছেন সূর্যকুমার, ভারতের নতুন টি-২০ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার!
-
এই ৬ আন্তর্জাতিক গন্তব্যে স্থগিত ইন্ডিগোর বিমান পরিষেবা! বড় সিদ্ধান্ত দেশের বৃহত্তম উড়ান সংস্থার
-
প্রয়াত ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান কার্যনির্বাহী কর্তা নারায়ণ বসু
-
শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বরূপ বিশ্বাস, ডিম হাতে থানা ঘেরাও ক্রুদ্ধ জনতার