Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রিজার্ভ ব্যাংক দখল করে নিতে চাইছে কেন্দ্র, তোপ চিদম্বরমের

সোমবার আরবিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড মিটিং।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০১৮, ২১:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০১৮, ২১:২৮

options
link
রিজার্ভ ব্যাংক দখল করে নিতে চাইছে কেন্দ্র, তোপ চিদম্বরমের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উর্জিত প্যাটেল এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকের পর আরবিআই-কেন্দ্র সংঘাত আপাত শান্ত। শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর আপাতত পদত্যাগের পরিকল্পনাও ত্যাগ করেছেন আরবিআই গভর্নর। কিন্তু চাপা অশান্তির আঁচ রয়েই গিয়েছে । আগামী ১৯ নভেম্বর, আরবিআইয়ের বোর্ড মিটিংয়ে সেই চাপা অশান্তি ঝঞ্ঝায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এই পরিস্থিতিতে ‘ঘোলা জলে মাছ ধরার’ চেষ্টা শুরু করে দিল কংগ্রেস। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম দাবি করলেন, সরকার চাইছে রিজার্ভ ব্যাংকটাকে দখল করে নিতে। আরবিআইয়ের সঞ্চিত ৯ লক্ষ ৫৯ হাজার কোটি টাকায় নজর রয়েছে মোদি সরকারের।

 

[আরবিআইয়ের সঞ্চিত টাকায় নজর কেন্দ্রের! নারাজ শীর্ষ ব্যাংক]

সোমবার আরবিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ বোর্ড মিটিং। কীভাবে উদ্ভুত সংকটের মোকাবিলা করা যাবে, তা নিয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে। উপস্থিত থাকবেন গভর্নর উর্জিত প্যাটেল-সহ অন্যান্য বোর্ড সদস্যরা। বৈঠকের একদিন আগেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর গর্জন, ” মতানৈক্য বলে যেটাকে বর্ণনা করা হচ্ছে সেটা ধোঁয়াশা ছাড়া কিছুই নয়। আসলে সরকার আরবিআইকে দখল করার জন্য মরিয়া। ১৯ নভেম্বর রিজার্ভ ব্যাংকের স্বাধীনতা এবং ভারতীয় অর্থনীতির জন্য একটি স্মরণীয় দিন হতে চলেছে।”

[সরকারের আচরণে ক্ষোভ, পদত্যাগ করতে পারেন আরবিআই গভর্নর উর্জিত প্যাটেল]

কিছুদিন আগেই একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করে, আরবিআইয়ের গচ্ছিত টাকার এক তৃতীয়াংশ দখল করতে চাইছে কেন্দ্র। গচ্ছিত টাকা থেকে প্রায় ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা অর্থমন্ত্রককে পাঠানো হোক, এমনটাই নাকি চাইছিল সরকার। সংবাদমাধ্যমের সেই রিপোর্টকে হাতিয়ার করেই এদিন নতুন করে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুললেন চিদম্বরম। এ প্রসঙ্গে অবশ্য সরকার বা আরবিআইয়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। উল্লেখ্য, আরবিআই এবং সরকারের মধ্যেকার দ্বন্দ্বের কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন ডেপুটি গভর্নর বিরল আচার্য্য। তিনি প্রকাশ্যেই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দেন, সরকার রিজার্ভ ব্যাংকের স্বশাসনে হস্তক্ষেপ করছে। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে চূড়ান্ত টানাপোড়েন। সোমবার সেই বিতর্কে যবনিকা পড়বে এমনটাই আশা অর্থমন্ত্রকের। তাঁর আগেই সরকারকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.