BREAKING NEWS

২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলার অধিকার নেই চিনের’, লাদাখ ইস্যুতে কড়া বিদেশমন্ত্রক

Published by: Paramita Paul |    Posted: October 15, 2020 5:57 pm|    Updated: October 15, 2020 6:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লাদাখ নিয়ে মন্তব্য করায় চিনকে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল বিদেশমন্ত্রক। ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা বলার অধিকার চিনের নেই।’ বৃহস্পতিবার এই ভাষাতেই বেজিংকে কড়া জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব।

এদিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, “লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অংশ ছিল, আছে ও থাকবে। এটা সকলের জানা উচিৎ।” এরপরই চিনের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দেন তিনি। অনুরাগ শ্রীবাস্তবের কথায়, “ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় কথা বলার কোনও অধিকার নেই চিনের।” তিনি আরও বলেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় কোনও দেশেরই কথা বলা উচিত নয়। এটা সকলের মনে রাখা দরকার।”

[আরও পড়ুন : ভারতের মোট জিডিপি বাংলাদেশের ১১ গুণ! IMF-এর আশঙ্কা উড়িয়ে ঘোষণা কেন্দ্রের]

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় স্থিতাবস্থা ফেরাতে চিনের সঙ্গে লাগাতার আলোচনা চলছে। তার মাঝেই লাদাখ নিয়ে ফের প্ররোচনামূলক মন্তব্য করে বেজিং। তাঁদের অভিযোগ, “বেআইনিভাবে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করেছে ভারত। তাই তাকে মান্যতা দেয় না চিন।” পূর্ব লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার দায় ভারতের কাঁধে চাপিয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের দাবি, সীমান্ত এলাকায় ভারতের সামরিক সজ্জা বৃদ্ধিই দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনার মূল কারণ। একইসঙ্গে তাঁর আরজি, উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে এমন কোনও কাজ ভারতের করা উচিত নয়। এর আগেও একই ধরণের মন্তব্য করেছিল চিন। চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন জানিয়েছিলেন, “চিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে লাদাখকে (Ladakh) মান্যতা দেয় না। ভারত বেআইনিভাবে এটিকে কেন্দ্রশাসিত (UT) অঞ্চলে পরিণত করেছে।”

[আরও পড়ুন : শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে কেন্দ্রের নয়া প্রকল্প ‘স্টারস’, ফের ব্রাত্য থেকে গেল রাজ্য]

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা (Article 370) ও ৩৫এ ধারার অবলুপ্তি ঘটায় কেন্দ্রের এনডিএ সরকার। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের ফলে জম্মু একটি এবং কাশ্মীর ও লাদাখ মিলে আরেকটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এর আগে কাশ্মীর ও লাদাখ মিলে একটি রাজ্য ছিল। আর এতেই ঘোর আপত্তি চিনের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement