Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
US Congressman

সীমাান্ত সংঘাতে ভারতের পাশে আমেরিকা, চিনকে হুঁশিয়ারি মার্কিন আইনপ্রণেতার

'ড্রাগন'কে প্রতিহত করতে ভারতের পাশে আমেরিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৩, ১৬:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২৩, ১৬:২৮

options
link
সীমাান্ত সংঘাতে ভারতের পাশে আমেরিকা, চিনকে হুঁশিয়ারি মার্কিন আইনপ্রণেতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকেই ভারত-চিন সীমান্ত কার্যত ফুটছে। বারবার ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে লালফৌজ। ভারতও তার কড়া জবাব দিয়েছে। এই আবহে বেজিংকে ভারতের সীমান্ত মেনে চলার হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না। 

ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না। সোমবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ভারতের সার্বভৌমত্ব মেনে চলা উচিৎ সবার। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চিনেরও উচিৎ ভারতে সীমান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। আরব সাগর ও ভারত মহাসাগরে যাতে বাণিজ্যপথ মুক্ত থাকে তা সুনিশ্চিত করবে আমেরিকার নৌসেনা।” তাঁকে গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানবধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন,” ভারত ও আমেরিকা গণতান্ত্রিক দেশ। দু’দেশই তাদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকারকে প্রাধান্য দেয়।”  

Advertisement

এই সাক্ষাৎকারে তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। আসন্ন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে আলোচনা হতে পারে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও। তাই  দু’দেশের মধ্যে শান্তি ফেরানোর ক্ষেত্রে ভারতের কাছে প্রতিনিধিত্বের যে বড় সুযোগ রয়েছে তারও উল্লেখ করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: কাল লালকেল্লায় মোদির ভাষণে কি উত্তর-পূর্বে গুরুত্ব, নজর দেশবাসীর]

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর থেকে তলানিতে ঠেকেছে ভারত-চিন সম্পর্ক। সীমান্তে শান্তি ফিরলে তবেই সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে সাফ জানিয়েছে মোদি সরকার। অন্যদিকে, ‘ড্রাগন’কে প্রতিহত করতে ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা। এর মাঝেই আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। যেখানে যোগ দিতে নয়াদিল্লি আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্মেলনে থাকার কথা চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন মিলে বেজিংকে কী বার্তা দেওয়া হয় সেই দিকে তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল। তার আগে ভারতে এসে মার্কিন সদস্যের ভারত নিয়ে চিনকে বার্তা দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।   

[আরও পড়ুন: এবার তেরঙ্গা উত্তোলন, ‘পাক বধূ’ সীমার মুখে ‘পাকিস্তান মুর্দাবাদ’, ‘হিন্দুস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.