Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লাদাখ

যুদ্ধ কি আসন্ন? লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখায় সাঁড়াশি চাপ চিনা ফৌজের

গত দু’সপ্তাহে ১০০টিরও বেশি তাঁবু খাটিয়েছে চিনা সেনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২০, ১৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২০, ১৯:৩৯

options
link
যুদ্ধ কি আসন্ন? লাদাখে নিয়ন্ত্রণ রেখায় সাঁড়াশি চাপ চিনা ফৌজের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় থমথমে লাদাখ। গালওয়ানে চিনা সেনার আগ্রাসী সমরসজ্জায় অশনি সংকেত দেখছেন পাহাড়ি অঞ্চলটির বাসিন্দারা। দ্রুত সংঘাতের আবহ না কাটলে চিন ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ একপ্রকার আসন্ন বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল-এর কাছে এবার চিনা সেনার প্রস্তুতি আগেরবারের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। গালওয়ান উপত্যকায় গত দু’সপ্তাহে ১০০টিরও বেশি তাঁবু খাটিয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)।

[আরও পড়ুন: ল্যাবে রয়েছে তিনটি সক্রিয় করোনা ভাইরাস, চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি চিনের]

সেনা সূত্রে খবর, প্যাংগং সো আর গালওয়ান উপত্যকায় অতিরিক্ত দু’ থেকে আড়াই হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চিন। গালওয়ানে বেশ কয়েকটি বাঙ্কার তৈরিরও চেষ্টা চালাচ্ছে বেজিং। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বিতর্কিত এলাকাগুলিতে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে ভারতও। ফলে, ২০১৭-র ডোকলাম পরিস্থিতির পর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও চিনের মধ্যে ফের চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতির যেভাবে খারাপের দিকে যাচ্ছে তাতে দু’পক্ষ তড়িঘড়ি কোনও সমঝোতায় পৌঁছতে না পারলে রণক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে প্যাংগং সো, গালওয়ান উপত্যকা, ভারতীয় চৌকি কেএম১২০-সহ ভারত-চিনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৪৮ কিলোমিটার লম্বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC)। প্যাংগং সো বা প্যাংগং লেক, ডেমচক ও দৌলত বেগ ওলডিতে পরিস্থিতি এতটাই তপ্ত যে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়তে পারে ভারতীয় ও চিনা জওয়ানরা। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতীয় সেনার অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিএস হুডার মতে, লাল ফৌজের আচরণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার ভিন্ন। চিনা সেনারা এর আগেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছে। কিন্তু এবার সেই সব এলাকায় চিনা সেনা সমাবেশ আর অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পূর্ণ অন্য মাত্রার। গালওয়ানে চিনা সেনা সমাবেশই সবচেয়ে বেশি উদ্বেগজনক। কারণ, এই এলাকাটি নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে কোনও দিনই কোনও বিরোধ ছিল না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আকসাই চিন বহুদিন ধরেই চিনের দখলে। তা সহজে দখলমুক্ত করায় যাবে না। অরুণাচল প্রদেশের বেশ কিছু এলাকা নিয়েও চিনের দাবি রয়েছে। কিন্তু এ বার চিন বেশি উদ্বিগ্ন গিলগিট-বাল্টিস্তান এলাকা নিয়ে। কারণ পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের ওই অংশের উপর দিয়ে গিয়েছে চিন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর বা CPEC-র একটি বড় অংশ। কাশ্মীরে ৩৭০ রদ হওয়ায় এবং  জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখকে তিনটি কেন্দ্রশাসিত এলাকায় পরিণত করার দিল্লির পদক্ষেপের পর থেকেই বেজিংয়ের উদ্বেগ বেড়েছে । তাছাড়া, শ্রীলঙ্কার হামবানটোটা ও পাকিস্তানের করাচি বন্দরে রণতরী মোতায়েন করে ভারতীয় নৌসেনাকে ঘিরে ফেলে ভারত মহাসাগরে নিজের সামরিক প্রভূত্ব গড়ে তুলতে চাইছে কমিউনিস্ট দেশটি। তাই লাদাখকে নিজের হাতে রাখার দরকার বেজিংয়ের। সে জন্যই এ বার যে কোনও ভাবে লাদাখে ঢুকে পড়তে চাইছে চিন।

[আরও পড়ুন: ‘প্রয়োজনে যুদ্ধ হবে’, সীমান্ত বিবাদ নিয়ে ভারতকে হুমকি পুঁচকে নেপালের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.