সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে একধিকবার ‘ইয়া’ শব্দটির ব্যবহার করেন এক আইনজীবী। এই ঘটনায় ওই আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করলেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। ওই আইনজীবীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “এটা আদালত। ক্যাফে নয়।” ঠিক কী ঘটেছিল?
এদিন ছয় বছর আগের একটি মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই আইনজীবী প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে মামলায় বিবাদী পক্ষ হিসাবে যুক্ত করার দাবি জানান। তাতে বিচারপতি চন্দ্রচূড় প্রশ্ন করেন, কোনও জনস্বার্থ মামলায় বিচারপতিকে কী ভাবে যুক্ত করা যায়? এই সংক্রান্ত সংবিধানের ৩২ নং বিধি উল্লেখ করেন তিনি। বর্তমান মামলায় যা প্রযুক্ত হয় না। এর উত্তরেই আইনজীবী বলেন, “ইয়া ইয়া…।” এতেই ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি ভর্ৎসনা করেন ওই আইনজীবীকে। তিনি বলেন, “এটা কোনও ক্যাফে নয়। ইয়া ইয়া আবার কী ভাষা! এতে আমার অ্যালার্জি আছে।” আদালতে এমন ভাষা ব্যবহার করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়।
বিচারপতি গগৈর বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে মামলা প্রসঙ্গে ওই আইনজীবীর সঙ্গে চন্দ্রচূড়ের বাদানুবাদ চরমে ওঠে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারপতি গগৈ এই আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর বেঞ্চে আপনি সাফল্য পাননি বলে এখন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আপনি জনস্বার্থ মামলা করতে পারেন না।” বিচারপতি চন্দ্রচূড় এর পর তাঁকে মনে করিয়ে দেন, হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া যায় না। যদিও আইনজীবী পালটা যুক্তি দেন, একটি বিবৃতিকে বেআইনি বলে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন তিনি। বিচারপতি গগৈ ওই বিবৃতির উপর ভিত্তি করেই তাঁর মামলাটি খারিজ করেছিলেন। প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুরের কাছেও পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।যদিও উলটে তাকেই বরখাস্ত করা হয়।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি
-
‘আমার কাছে এলে রেজিনগর থেকে বিধানসভায় পাঠাতে পারি’, মমতাকে ‘অফার’ হুমায়ুনের