বকরি ইদের আগে কুরবানির জন্য আনা ছাগলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল মুম্বইয়ের একটি আবাসনে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন সেখানে শূকর নিয়ে প্রবেশ করে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। দু’পক্ষের হাতাহাতিতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বলপ্রয়োগ করে পুলিশ।
বিতর্কের সূত্রপাত সোমবার। বকরি ইদের আগে থানের একটি আবাসনে কুরবানির জন্য একদল ছাগল এনেছিলেন সেখানকার বসবাসকারী মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষজন। শুধু তা-ই নয়, পশু রাখার জন্য আবাসনে অস্থায়ী একটি চালাও নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরই আপত্তি তোলেন বাসিন্দাদের একাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কয়েকজন নেতা। আবাসনের ভিতর চালা নির্মাণ নিয়ে তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপরই পুরসভার তরফে সেটি ভেঙে দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, পরে সেটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। এর জেরে সোমবার রাত থেকে দু’পক্ষের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। হর্ষ সিং নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
এই ঘটনার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই আবাসনের বাইরে জড়ো হন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নেতারা। অভিযোগ, তাঁরা হনুমান চালিসা পাঠ করেন এবং স্লোগান দেন। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের মধ্যেই কয়েকজন এক যুবককে বেধড়ক মারধর করেন। অন্যদিকে, হামলাকারীদের দাবি, ওই যুবকই সোমবার রাতে হর্ষকে আক্রমণ করেন। এখানেই শেষ নয়, ছাগল কুরবানির প্রতিবাদে হিন্দুত্ববাদী নেতারা সেখানে একটি শূকর নিয়ে আসেন। এরপরই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ ওই শূকরটিকে সরানোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। দীর্ঘক্ষণ পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে গোটা এলাকা কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া রয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।
সর্বশেষ খবর
-
বিধ্বস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই, আটকে বহু ভারতীয়, উদ্ধারকাজে বাড়ছে জটিলতা
-
‘দয়া করে দেহ দান করবেন না’, আর্জি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘জ্যোতি বসুর দেহ কাজেই লাগেনি’
-
মহামেডানে ডামাডোল অব্যাহত, দলকে কলকাতা লিগের শীর্ষে তুলেও পদত্যাগ কোচ মেহরাজউদ্দিনের
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার