Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

গুজরাট দাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ক্লিনচিট দিল নানাবতী কমিশন

দাঙ্গায় ১ হাজার ৪৪ জনের মৃত্যু হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৯, ১২:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১১, ২০১৯, ১২:৩০

options
link
গুজরাট দাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ক্লিনচিট দিল নানাবতী কমিশন zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিনচিট দিল নানাবতী কমিশন। বুধবার গুজরাট বিধানসভায় কমিশনের চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপসিনহ জাডেজা।

রিপোর্টে কমিশন সাফ জানিয়েছে, গোধরা পরবর্তী পরিস্থিতিতে গুজরাট জুড়ে যে দাঙ্গা শুরু হয় তা ‘পরিকল্পনা মাফিক করা হয়নি।’ ওই হিংসায় গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কোনও হাত ছিল না। ২০০৮ সালেও বিচারপতি জি টি নানাবতী ও বিচারপতি অক্ষয় মেহেতার রিপোর্টের প্রথম ভাগে সাফ বলা হয়েছিল যে ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই সাবরমতি এক্সপ্রেসের এস-৬ কামরায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেবারেও ওই ঘটনায় মোদিকে বেকসুর বলে রায় দিয়েছিল কমিশন। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশেই গোধরা পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে কমিশনটি গঠন করা হয়।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০০২ সালে গোধরার কাছে সাবরমতি এক্সপ্রেসে আগুন  ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঝলসে মৃত্যু হয় ৫৯ জন করসেবকের। তারপরই গুজরাটে আগুন জ্বলে উঠে। সরকারি পরিসংখ্যান মতে, দাঙ্গায় ১ হাজার ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৭৯০ জন মুসলিম সম্প্রদায়ের। ২২৩ জন হিন্দু সম্প্রদায়ের। যদিও বেসরকারি হিসেবে মৃত্যুর হিসেব ছিল ২ হাজারেরও বেশি। প্রায় আড়াই হাজার লোক গুরুতর আহত হন। এখনও নিখোঁজ প্রায় ২২৩ জন। এছড়াও প্রচুর মহিলাদের উপর অত্যাচার এবং ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। এ হেন হিংসার জন্য এখনও নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেন এক গোষ্ঠীর মানুষ।

[আরও পড়ুন: ‘দিল্লির দূষণে এমনিতেই আয়ু কমছে, তাহলে ফাঁসি কেন?’ অদ্ভুত যুক্তি নির্ভয়ার ধর্ষকের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.