৪ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo ফিরে দেখা ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৪ মাঘ  ১৪২৬  শনিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কংগ্রেস জমানায় পাশ হওয়া আইনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল ছত্তিশগড় সরকার। “২০০৮ সালে পাশ হওয়া NIA আইন রাজ্যের সার্ভভৌমিকতা নষ্ট করছে, তাই আইনে বদল আনা দরকার।” এই দাবিতে শীর্ষ আদালতে গেল কংগ্রেসশাসিত ছত্তিশগড়ের রাজ্য সরকার। মামলায় দাবি করা হয়েছে, “এই আইন অসাংবিধানিক। এই আইন কার্যকর হওয়ায় রাজ্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।” তবে এতদিন পর কেন ছত্তিশগড় সরকার কেন আইনের বিরোধিতা করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।  

২০০৮ সালে ২৬/১১ মুম্বই হামলার পরই তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পি চিদাম্বরমের নেতৃত্বে এই আইন তৈরি হয়। সেসময় কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন কংগ্রেসের শরিকি দলগুলি তো বটেই এমনকী বিরোধী দলগুলিও সংসদে নয়া আইনকে সমর্থন করেছিল। কিন্তু সেই ঘটনার ১২ বছর পর এক কংগ্রেসশাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলা আদালতের দ্বারস্থ হলেন।

[আরও পড়ুন: পরপর ২ দিন ব্যাংক ধর্মঘটের ডাক, ভোগান্তির আশঙ্কা গ্রাহকদের]

কী রয়েছে NIA আইনে?  আমেরিকার FBI-এর ধাঁচে তৈরি করা হয় NIA। সম্পূর্ণ স্বায়ত্বশাসিত এই সংস্থা। যাকে সিবিআইয়ের চেয়ে বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দেশের যে কোনও প্রান্তে নাশকতামূলক ঘটনা ঘটলে রাজ্যের অনুমতি ছাড়াই NIA তদন্ত করতে পারে।এমনকী যে কাউকে গ্রেপ্তারও করতে পারে। এ ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কোনও অনুমতি নিতে হয় না। আর এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ছত্তিশগড় সরকার।

[আরও পড়ুন: ঐশীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য ভুয়ো, সরব মা শর্মিষ্ঠা ঘোষ]

ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলার নেতৃ্ত্বাধীন সরকারের অভিযোগ, “সংবিধানে রাজ্যগুলিকে স্বায়ত্বশাসনের অধিকার দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই আইন সেই অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করছে। রাজ্যগুললির হাত থেকে তদন্তভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্র স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছে।” এমনকী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে NIA-কে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেছেন রমণ সিং সরকার। ছত্তিশগড়ের তরফের আইনজীবী সুমের সুধী জানান, “এই আইন বিভিন্ন তথ্যে কতগুলি মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে NIA-কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।”        

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং