Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
অশোক গেহলট রাজস্থান

এবার রাজস্থানেও পদ্ম-কাঁটা! ‘ঘোড়া কেনাবেচা’র ভয়ে বিধায়কদের হোটেলে সরাল কংগ্রেস

একেক জন বিধায়ককে ২৫-৩০ কোটি টাকার তোপ দেওয়া হচ্ছে, অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ০৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২০, ০৮:৪৪

options
link
এবার রাজস্থানেও পদ্ম-কাঁটা! ‘ঘোড়া কেনাবেচা’র ভয়ে বিধায়কদের হোটেলে সরাল কংগ্রেস zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একে গুজরাটে রক্ষে নেই, রাজস্থান দোসর। গুজরাটে দলের ভাঙন এখনও সামলে উঠতে পারেনি কংগ্রেস (Congress)। এরই মধ্যে নতুন সংকট উপস্থিত। দলের সবচেয়ে নিরাপদ ‘দুর্গ’ রাজস্থানেও সংকটে অশোক গেহলটের সরকার। কংগ্রেসের অভিযোগ, গুজরাটের মতো রাজস্থানেও রাজ্যসভা নির্বাচনে ‘কোটি টাকার খেল’ খেলছে বিজেপি (BJP)। সরকার ফেলে দেওয়ার সাধ্যমতো চেষ্টা করা হচ্ছে। ‘দুর্গ’ বাঁচাতে শেষ পর্যন্ত বিধায়কদের একটি রিসর্টে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

রাজ্যসভা নির্বাচনের আগে গুজরাট কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন ধরেছে। ইতিমধ্যেই আটজন বিধায়ক পদত্যাগ করেছেন। তারপরই দলের বিধায়কদের প্রলোভন থেকে দূরে রাখতে সরিয়ে ফেলা হয়েছে রাজস্থানে। মুশকিল হল, কংগ্রেসের এই তথাকথিত নিরাপদ স্থানও এখন নিরাপদ নয়। সেখানেও সংকটে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot) অভিযোগ করছেন, দলের বিধায়কদের ২৫-৩০ কোটি টাকার টোপ এবং পদের লোভ দেখাচ্ছে বিজেপি। সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি সব বিধায়ককে দিল্লি-জয়পুর হাইওয়ের ধারে ‘শিবভিলা’ নামের একটি রিসর্টে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে কংগ্রেস। পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে তাঁরা। সরকার বাঁচাতে তড়িঘড়ি দিল্লি ছুটে গিয়েছেন কে সি ভেনুগোপাল, রনদীপ সুরজেওয়ালার মতো শীর্ষ কংগ্রেস নেতারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড দখল করেছে চিন, তবে…’, রাহুলকে জবাব লাদাখের বিজেপি সাংসদের]

যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজস্থানে কংগ্রেসের সরকার ফেলা সহজ কাজ হবে না বিজেপির পক্ষে। কারণ ২০০ আসনের রাজস্থান বিধানসভায় (Rajasthan Legislative Assembly) কংগ্রেসের নিজেরই রয়েছেন ১০৭ জন বিধায়ক। এদের মধ্যে ৬ জন গতবছরই মায়াবতীর বিএসপি ছেড়ে কংগ্রেসের হাত ধরেছেন। নির্দল ও অন্যান্য ছোট দল মিলিয়ে আরও ১৭ জন বিধায়ক কংগ্রেসকে সমর্থন করছে। সব মিলিয়ে ১২৪ জন বিধায়কের সমর্থন আছে কংগ্রেসের দখলে। অন্যদিকে বিজেপির নিজের খাতায় রয়েছেন ৭২ জন বিধায়ক। অন্য দল ও নির্দল মিলিয়ে সংখ্যাটা ৭৬। সামনেই রাজ্যের ৩ আসনের রাজ্যসভা নির্বাচন। সংখ্যার হিসেবে এর মধ্যে ২টি আসন অনায়াসেই জেতার কথা হাত শিবিরের। বাকি একটি যাওয়ার কথা বিজেপির দখলে। কিন্তু কংগ্রেসের আশঙ্কা, রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রলোভনে পড়ে কিছু বিধায়ক ‘ক্রস ভোটিং’ করতে পারেন। সেজন্যই যাবতীয় সতর্কতা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.