BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বাংলা-কেরলের নির্বাচনের আগেই নতুন সভাপতি নির্বাচন করবে কংগ্রেস, দাবি সূত্রের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: August 26, 2020 1:25 pm|    Updated: August 26, 2020 1:25 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলা, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী বছর এপ্রিল মাসে। তার মাস চারেক আগে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসেই নতুন সভাপতি পেতে পারে কংগ্রেস। অন্তত দলীয় সূত্রের তেমনটাই দাবি। কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ নয়। সেটার জন্য প্রয়োজন আস্ত একটা এআইসিসির (AICC) অধিবেশন। যেখানে গোটা দেশ থেকে এআইসিসির সদস্যরা যাবেন। আর এই করোনা আবহে চাইলেই তাড়াতাড়ি এআইসিসি অধিবেশন আয়োজন সম্ভব নয়।

২৩ জন শীর্ষনেতা দলের নেতৃত্বে বদল চেয়ে চিঠি দেওয়ার পর, সোমবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করেন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। যদিও শেষপর্যন্ত তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়নি। সোনিয়াকেই আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী পদে রেখে দেওয়া হয়েছেন। কংগ্রেস নেতারা এখন চাইছেন, সব ব্যর্থতা ভুলে রাহুল গান্ধীই (Rahul Gandhi) ফের দায়িত্ব নিন। তিনি যদি ফের সভাপতি হতে রাজি হন, তাহলে অর্ধেক সমস্যা মিটে যাবে। আর রাহুল যদি রাজি না হন, তাহলে নির্বাচন করতেই হবে। সেক্ষেত্রে এআইসিসি অধিবেশন ডেকে নির্বাচন হতে পারে জানুয়ারি মাসে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কংগ্রেসের দুই নেতা এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন।

[আরও পড়ুন: ফের একত্রিত হচ্ছে বিরোধীরা! আজ মমতা-সহ বিরোধী মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সোনিয়ার]

জানুয়ারিতে সভাপতি নির্বাচন করার বেশ কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, কংগ্রেস চাইছে সময় নিয়ে রাহুলকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে রাজি করাতে এবং তৃতীয়ত ওই সময়টাই সভাপতি নির্বাচনের আদর্শ সময়। কারণ, বিহারের ভোট মেটার পর ওই সময় বড় কোনও নির্বাচন নেই। বাংলা, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা আগামী বছর মার্চ-এপ্রিম মাসে। কংগ্রেস (Congress) চাইছে, এই নির্বাচন গুলি নতুন সভাপতি এবং তাঁর নিজস্ব টিমের নেতৃত্বে লড়তে। কারণ, এবারের নির্বাচন কংগ্রেসের জন্য বেশ সম্ভাবনাময়। পুদুচেরিতে কংগ্রেসই এখন ক্ষমতায়। তাঁদের আশা, ওই কেন্দ্রশাসিত রাজ্যটিতে ক্ষমতা ধরে রাখা যাবে। অসম এবং কেরলে কংগ্রেসই প্রধান বিরোধী দল। কেরলে সোনা পাচার কাণ্ডে বেশ চাপে পিনারাই বিজয়ন সরকার। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে হাত শিবির। আবার অসমে তাঁরা AIUDF-এর সঙ্গে জোট করে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ দিতে প্রস্তুত। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-কংগ্রেস জোটই এবার ফেভরিট। বাকি রইল বাংলা। এ রাজ্য নিয়ে বড় বেশি আশা নেই কংগ্রেস নেতাদের। তবে, বামেদের সঙ্গে জোট করে যদি কিছুটা ভোট বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাই করবেন তাঁরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement