সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও একটা ইস্যু তুলে সংসদে বিক্ষোভ, স্লোগান, ওয়াকআউট। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিরোধী শিবিরের এই আচরণের জেরে সংসদে কাজের কাজটাই হয় না। সাম্প্রতিক কয়েকটি অধিবেশনে দেখা গিয়েছে বিতর্ক, বিল নিয়ে আলোচনা কোনও কিছুতেই সেভাবে অংশ নিচ্ছে না বিরোধী শিবির। বিশেষ করে কংগ্রেস। নিজের দলের এই অবস্থানে ক্ষুব্ধ কংগ্রেসেরই সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor)। তাঁর সাফ কথা, ‘সংসদ চেঁচামেচি অরার জায়গা নয়।’
কংগ্রেস সাংসদ বলছেন, “আমি শুরু থেকেই বলে আসছি। সোনিয়া গান্ধী-সহ আমার দলের নেতারা সকলেই জানেন। আমি হয়তো সংসদে দলের একমাত্র কন্ঠস্বর হব। কিন্তু আমার মনে কোনও সংশয় নেই যে মানুষ আমাকে সংসদে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য পাঠিয়েছেন। শুধু চেঁচামেচি করা এবং হট্টগোল করার জন্য নয়। মানুষ আমার বুদ্ধিটুকু ব্যবহার করে তাঁদের সমস্যার কথা এখানে তুলে ধরার জন্য পাঠিয়েছে।”
থারুরের এই বক্তব্য পুরোপুরি কংগ্রেসের অনস্থানের উলটো। SIR থেকে শুরু করে ভোটচুরি, সংসদের চলতি অধিবেশনেও একাধিকবার বিক্ষোভ দেখিয়েছে কংগ্রেস। সাম্প্রতিক অতীতে একাধিক অধিবেশনে কখনও আদানি, কখনও পহেলগাঁও হামলা, কখনও অন্য কোনও ইস্যু তুলে সংসদ কার্যত অচল করে দিয়েছে হাত শিবির। সেই দলেরই সাংসদ বলছেন, সংসদ হট্টগোলের জায়গা নয়। স্বাভাবিকভাবেই থারুরের এই অবস্থানে অস্বস্তিতে কংগ্রেস।
এই অবশ্য প্রথম নয়। থারুর বহুদিন ধরেই বেসুরো। দলের একাধিক বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন তিনি। অপারেশন সিঁদুরের পর বিদেশে যে প্রতিনিধিদল গিয়েছিল দলের আপত্তি সত্ত্বেও তাতে গিয়েছিলেন তিরঅনন্তপুরমের সাংসদ। আবার ইদানিং কংগ্রেসের বৈঠকেও তিনি থাকেন না। সব মিলিয়ে থারুরের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব অনেকটাই বেড়েছে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, তিরুঅনন্তপুরমের সাংসদের বিজেপি যোগ সময়ের অপেক্ষা। আগামী বছরের শুরুতেই বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে কেরলে। তার আগেই সম্ভবত কংগ্রেস ছাড়ছেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
‘এটাই লাস্ট ডান্স’, মন খারাপের খবর দিয়ে রোনাল্ডো বললেন, ‘আগের মতো খেলতে পারি না’
-
ভুলো বিল তৈরি করে কলকাতা পুলিশের ডিসি অফিসের ৫১ লাখ টাকা তছরূপ! গ্রেপ্তার সরকারি কর্তা
-
টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড, ইংল্যান্ডকে হেলায় হারিয়ে সাতবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া
-
টোটোতে অ্যাম্বুল্যান্সের ধাক্কা, চালকের হাত কেটে পড়ে গেল রাস্তায়! ভয়ংকর কাণ্ড দুর্গাপুরে
-
বদ্রীনাথে অনুদান চুরির তদন্তে চার সদস্যের কমিটি, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব