Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সংকটে অস্তিত্ব, রাতারাতি বিধায়কদের বেঙ্গালুরু উড়িয়ে নিয়ে গেল কংগ্রেস

চরম অস্বস্তিতে কংগ্রেস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৭, ০৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৭, ০৬:১৩

options
link
সংকটে অস্তিত্ব, রাতারাতি বিধায়কদের বেঙ্গালুরু উড়িয়ে নিয়ে গেল কংগ্রেস zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যারপরনাই অস্বস্তিতে কংগ্রেস। দীর্ঘদিনের কংগ্রেস নেতা শঙ্কর সিন বাঘেলার দলত্যাগের পর হাত শিবিরে ভাঙন অব্যাহত। সেই ফাটল আটকাতে, নিজের ৩৮ জন বিধায়ককে শুক্রবার রাতে বেঙ্গালুরু উড়িয়ে নিয়ে গেল কংগ্রেস। এঁদের বেঙ্গালুরুর কেম্পেগৌড়া বিমানবন্দরের কাছে একটি রিসর্টে রাখা হয়।

 

Advertisement

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে দল ছাড়েন বাঘেলা। যোগ দেন বিজেপিতে। এরপরেই শুরু হয় আসল নাটক। গত দু’ দিনে পরপর ছজন কংগ্রেস বিধায়ক দল ছেড়েছেন। এঁদের মধ্যে তিন জনই যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বাঘেলার নির্দেশেই বিধায়করা পদত্যাগ করেছেন। রাজ্যসভায় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আহমেদ প্যাটেলের প্রবেশ আটকাতেই এই চাল তাঁর। প্রসঙ্গত, রাজ্যসভায় আগামী ৮ই আগষ্ট ভোট।

শুক্রবার সন্ধে পর্যন্ত ১১ জন কংগ্রেস বিধায়ককে রাজকোটে রেখে দেওয়া হয়েছিল। আর ১৫ জনকে রাখা হয়েছিল আহমেদাবাদ থেকে ১০০ কিমি দূরে আরেকটি রিসর্টে। সেখানে দলের প্রধান ভরত সিন সোলাঙ্কি বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজ্যসভা ভোটের আগে গুজরাতে তাদের দলে ভাঙন ধরানোর জন্য বিজেপি টাকা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করছে অভিযোগ কংগ্রেসের। কংগ্রেসের মুখপাত্র অভিষেক মনু সিংভি। দলের বিধায়কদের সতর্ক করে বলেন, দলত্যাগ করলে আইন অনুযায়ী আগামী ছ’ বছর ভোটে লড়া যায় না। এ নিয়ে কংগ্রেস যে আদালতে যাওয়ার রাস্তাও খোলা রেখেছে তারও ইঙ্গিত দেন সিংভি। উল্লেখ্য, ১৮২ আসনের গুজরাট বিধানসভায় এখনও পর্যন্ত কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৫১।

[মৃত মেয়ের মুখের উপর চেপে বসেছিল ইন্দ্রাণী, বিস্ফোরক তথ্য চালকের]

৮ আগস্ট রাজ্য থেকে রাজ্যসভার তিনটি আসনে ভোট নেওয়া হবে। দুটি আসনে বিজেপির দুই প্রার্থী অমিত শাহ এবং স্মৃতি ইরানির জয় নিশ্চিত। তৃতীয় আসনটিও ঝুলিতে ভরার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, এই আসনটিতেই দলের সভাপতি সনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক সচিব আহমেদ প্যাটেলকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।

চলতি বছরের শেষে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন। শঙ্কর সিন বাঘেলা চেয়েছিলেন, তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে তুলে ধরে কংগ্রেস সেই নির্বাচন লড়ুক। বিরোধ শুরু হয় সেই নিয়েই। এরপরেই বাঘেলার কংগ্রেস ত্যাগ ও বিজেপিতে যোগদান। যেসব বিধায়করা কংগ্রেস ছেড়েছেন, তাঁরা সবাই বাঘেলার ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন গুজরাটের বিরোধী দলের দুই বিধায়ক মান সিং চৌহান ও সানাভাই চৌধুরি। এর আগে বৃহস্পতিবারই দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন কংগ্রেস তিন বিধায়ক পিআই প্যাটেল, বলবন্ত সিং রাজপুত ও তেজশ্রী প্যাটেল। তিনজনেই যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে।

[অভিযোগ মাত্রই গ্রেপ্তারি নয়, বধূ নির্যাতন মামলায় রায় সুপ্রিম কোর্টের]

অবশ্য কংগ্রেসে বিধায়কদের এভাবে দলে আটকানোর নজির এর আগেও রয়েছে। তাও পশ্চিমবঙ্গেই। গত বিধানসভার নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর দল ত্যাগ না করার জন্য নিজেদের বিধায়কদের দিয়ে মুচলেকা লিখিয়ে নিয়েছিল কংগ্রেস। অন্যদিকে, গোয়া ও মণিপুরের বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর বেশি আসন পেয়েও কংগ্রেস সেখানে সরকার গঠনে অক্ষম হয়। এআইসিসির অভিযোগ ছিল, তাদের বিধায়কদের প্রলোভন দেখিয়ে দলছাড়া করানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.