Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Congress President Election 2022

সভাপতি নির্বাচনের দিনও ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রা ছাড়ছেন না রাহুল, ভোট দেবেন কর্ণাটকেই

২২ বছর পর সোমবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১৫:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১৫:১২

options
link
সভাপতি নির্বাচনের দিনও ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রা ছাড়ছেন না রাহুল, ভোট দেবেন কর্ণাটকেই zoom
Advertisement

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: ২২ বছর পর সোমবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন। অথচ সেই দিনই দিল্লিতে উপস্থিত থাকছেন না দলের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কংগ্রেস সূত্রের খবর, দিল্লিতে না থাকলেও সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন রাহুল। কর্ণাটকের বেল্লারিতেই একটি অস্থায়ী পোলিং বুথ করা হচ্ছে। সেখানে রাহুল-সহ আরও ৪০ জন ভারত যাত্রী, যাদের নাম ভোটার তালিকায় আছে, তারা ভোট দেবেন।

সোমবার রাহুলের যাত্রার রেস্ট ডে। এদিন বেল্লারিতেই বিশ্রাম নেবেন ভারত যাত্রীরা। সেখানেই ওই ভোটিং বুথ খোলা হবে। যাত্রা চলাকালীন রাহুল সভাপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন কিনা, তা নিয়ে বেশ গত কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সব গুঞ্জনে ইতি টেনে রবিবার দলের প্রচার বিভাগের প্রধান জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh) জানিয়ে দিয়েছেন, রাহুল দিল্লিতে না এলেও কর্ণাটক থেকেই ভোট দেবেন। তাঁর সঙ্গেই ভোট দেবেন ৪০ জন ভারত যাত্রী। অন্যদিকে দলের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) ভোট দেবেন দিল্লির আকবর রোডের সদর দপ্তরেও। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও সেখানেই ভোট দেবেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মোদি OBC নন, বহুরূপী’, প্রধানমন্ত্রীর জাত তুলে মন্তব্য নীতীশের দলের নেতার]

দীর্ঘ সময় পর কংগ্রেসের (Congress) সভাপতি নির্বাচনে নেই গান্ধী পরিবারের কোনও সদস্য। তাই দলের আভ্যন্তরীণ নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বেশকিছু নির্দেশিকা জারি করেছে দলের নির্বাচন পরিচালন কমিটি। তার মধ্যে অন্যতম নির্দেশ ছিল, দলের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিরা নির্দিষ্ট কোনও প্রার্থীর হয়ে প্রচার করতে পারবেন না। দুই প্রার্থীকেই সমানভাবে প্রচারের সুযোগ করে দিতে হবে। কিন্তু খাড়গের পিছনে গান্ধী পরিবারের মদত স্পষ্ট হতেই নির্বাচনী বিধি শিকেয় তুলে বিভিন্ন রাজ্যের নেতৃত্ব একপক্ষের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে খাড়গেকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ করছেন তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শশী থারুর। স্বাভাবিকভাবেই সভাপতি নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা শুরু করেছে।

[আরও পড়ুন: নেহরুর মতো মহান ব্যক্তিকে নিয়ে এত মিথ্যাচার…! কান্নায় ভেঙে পড়লেন মহাত্মা গান্ধীর পৌত্র]

তবে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিজেপি (BJP) যাতে সুবিধা পেয়ে না যায়, সেটাও লক্ষ্য রাখছেন থারুর। দলের ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে বিজেপি নেতাদের কটাক্ষের জবাবে কেরলের সাংসদ বলছেন,”বিজেপির উচিত আগে নিজেদের দলে একটা ভোট করানোর চেষ্টা করা।” থারুরের সাফ কথা, যেভাবেই হোক, এই সভাপতি নির্বাচন দলকে শক্তিশালী করবে। এতো গেল থারুরের কথা। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী তথা ‘হাইকম্যান্ডের প্রার্থী’ খাড়গে অবশ্য প্রচার শেষ হওয়ার পরই জটিলতা এড়িয়ে চলে গিয়েছেন কর্ণাটকে। রাহুলের সঙ্গে ভারত জোড়ো যাত্রায় হেঁটেছেন তিনি। তিনি যে গান্ধীদের ঘনিষ্ঠ, সেটা আরও একবার প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন খাড়গে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.