২ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ব্যক্তিগত আক্রমণ কংগ্রেসের, পাল্টা বিগ বি-র

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 26, 2016 5:56 pm|    Updated: May 26, 2016 6:33 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একসময়ে তিনি ছিলেন দলের লোকসভার সাংসদ৷ হেভিওয়েট নেহরু-গান্ধী পরিবারের অতি ঘনিষ্ঠ৷ ফ্রেন্ড ফিলজফার গাইড বললেও অত্যুক্তি হয় না৷ পাশাপাশি দেশের সিনে-ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম ফাদার ফিগারও তিনিই৷ সেই অমিতাভ বচ্চনের দিকে এবার তোপ কংগ্রেসের৷ বিগ বির বিরুদ্ধে কটাক্ষ করতে গিয়ে উঠে এল অবশ্য পানামা পেপারস প্রসঙ্গও৷ লক্ষ্য অবশ্য নরেন্দ্র মোদিই৷
মোদি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে নয়াদিল্লিতে হাজির থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বিগ বি অমিতাভ বচ্চনকে৷ গোটা অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্ব মেগাস্টারের হাতে রয়েছে বলে জানানো হয় তদের তরফে৷ এই খবরেই ফুঁসে উঠেছে কংগ্রেস৷ কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালার অভিযোগ, “কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে যখন কালোটাকার অভিযোগ উঠেছে এবং সেই ব্যক্তিই যখন প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত রয়েছেন এমন কোনও অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের ভূমিকা নেন তখন তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে কী বার্তা পৌঁছয়?”
কিছুদিন আগেই পানামা পেপারসে একাধিক বিদেশি সংস্থায় বেশ কিছু ভারতীয় নেতা, শিল্পপতি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বিখ্যাত বা ধনী ব্যক্তিদের বহু টাকাই বেনামে লগ্নি করা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়৷ তার মধ্যে অমিতাভ বচ্চনের নামও রয়েছে৷ সেই দিকেই কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস৷ তাদের প্রশ্ন, “আমরা মোদিজির কাছে জানতে চাই, ক্ষমতায় আসার আগে দেশের মানুষের কাছে তিনি যে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন তাতে তিনি কালো টাকা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন৷ সেই প্রতিশ্রুতি কী হল?” অমিতাভ বচ্চন অবশ্য জানিয়েছেন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব তাঁর উপর নেই, রয়েছে অভিনেতা আর মাধবনের উপর৷ ‘এক নয়ি সুবহ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্প নিয়ে একটি অংশে তিনি থাকবেন বলে জানিয়েছেন বিগ বি৷
বিজেপি অবশ্য দাঁড়িয়েছে অমিতাভের পাশেই৷ এই ধরনের ইস্যুতে অমিতাভকে আক্রমণ করায় কংগ্রেসের ‘মানসিক স্থিতি’ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে তারা৷ ১৯৮৪ সালের অক্টোবরে ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর ছোটবেলার বন্ধু রাজীবের পাশে এসে দাঁড়ান অমিতাভ৷ তখন বন্ধুর অনুরোধে আচমকাই রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন তিনি৷ এলাহাবাদ থেকে কংগ্রেসের সাংসদও হন৷ কিন্তু প্রথমবারের সাংসদ হওয়ার অভিজ্ঞতাতেই রাজনীতিতে আর কেরিয়ার এগোতে চাননি তিনি৷ কংগ্রেসের সঙ্গে কিছুটা দূরত্বও বাড়ে৷ যদিও পারিবারিক স্তরে ঘনিষ্ঠতা ছিল৷ রাজীবের মৃত্যুর পরেও পরিবারের অভিভাবকের মতোই সামলেছিলেন গোটা অন্ত্যেষ্টি৷ তবে মোদির অনুষ্ঠান ঘিরে আক্রমণ শানানো হল ব্যক্তিগত স্তরে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement