Advertisement
Advertisement
আইনি সাহায্য দেবে কংগ্রেস

CAA প্রতিবাদে আটক আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দেবে কংগ্রেস

বৈঠকের পরে ঘোষণা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর।

Congress to give legal help to those held in anti-CAA protests.
Published by: Paramita Paul
  • Posted:December 30, 2019 5:31 pm
  • Updated:December 30, 2019 5:31 pm

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার বিজেপির মোকাবিলা করতে সরাসরি আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটছে কংগ্রেস। CAA বিরোধী আন্দোলন ছড়িয়েছে গোটা দেশে। অগ্নিগর্ভ হয়েছে একের পর এক রাজ্য। আন্দোলন আটকাতে কোমর বেঁধেছে প্রশাসন। কোথাও ইন্টারনেট বন্ধ করেছে তো কোথাও নির্বিচারে আটক করেছে প্রতিবাদীদের। এবার সেই সব ধৃত প্রতিবাদীদের আইনি সহায়তা দেবে কংগ্রেস। সোমবার দলীয় বৈঠকের কথা এমনই জানালেন কংগ্রেসের উত্তরপ্রদেশের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এ নিয়ে এদিন কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।

এদিনের বৈঠকে প্রিয়াঙ্কা দলের আইনজীবীদের নির্দেশ দেন। তিনি জানান, দেশজুড়ে CAA বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেরই আইনজীবীদের সাহায্য নেওয়ার আর্থিক অবস্থা অনেকেরই নেই। তাই কংগ্রেসের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের মরা গাংয়ে জোয়ার আনতে আদা জলে খেয়ে নেমেছেন কংগ্রেস নেত্রী। আইনি সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁর মাস্টারস্ট্রোক হতে চলেছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন : চেম্বারে রাধা-কৃষ্ণের ছবি, ডাক্তারকে ‘নিল ডাউন’ করিয়ে শাস্তি বজরং দলের]

প্রসঙ্গত, CAA বিরোধী আন্দোলনে রণক্ষেত্র উত্তরপ্রদেশে প্রাণ হারিয়েছেন ১৫ জন। সূত্রের খবর, অশান্ত মীরাটের মেডিক্যাল কলেজে মারা গিয়েছেন চারজন। লখনউয়ে দুজন ও বিজনৌর দুজন প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে শুধুমাত্র মীরাটে ৪০০ জনকে আটক করা হয়েছিল। ১৫০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়ে। ২১ জেলায় বন্ধ ছিল ইন্টারনেটও। তারপরেও বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি ছড়িয়েছে। রামপুরের ইদগা এলাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ার খবর সামনে আসে তাঁরা পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে মিছিলের চেষ্টা করতেই পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় গাড়ি, বাস। ভাঙচুর করা হয় সরকারি অফিস, দোকান। পুলিশকে লক্ষ্য করে চলে পাথরবৃষ্টি। সেসময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, “সব ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে আছে। আমরা এর বদল নেব।” এরপরই মুজফফরপুরের ৪১টি দোকান সিল করে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই দোকানগুলির ভিতর থেকেই অশান্তি ছড়ানো হচ্ছিল। যার জেরে বিতর্ক ছড়ায়।     

Advertisement

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ