৭ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নজিরবিহীন। দেশের এত বড় সাফল্যের দিনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা বন্ধ হল না। চন্দ্রযান-২ এর সফল উৎক্ষেপণের দিন যখন গোটা বিশ্ব ভারতীয় বিজ্ঞানীদের প্রশংসায় মগ্ন, তখনও এই সাফল্যের কৃতিত্ব নেওয়ার মরিয়া চেষ্টা দেখা গেল কংগ্রেসের তরফে। চন্দ্রযানের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোকে শুভেচ্ছা জানিয়েও কোনওভাবে এই সাফল্যের জন্য জওহরলাল নেহেরু বা মনমোহন সিংয়ের অবদানের কথা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেন কংগ্রেস নেতারা।

[আরও পড়ুন: চাঁদের অন্ধকার দিকে আলো ফেলতে পাড়ি দিল চন্দ্রযান ২]

চন্দ্রযান ২-এর সফল উৎক্ষেপণের কিছুক্ষণ পরেই কংগ্রেসের তরফে টুইট করা হয়। তাতে লেখা ছিল, চন্দ্রযান ২-এর সাফল্যের জন্য ইসরোকে শুভেচ্ছা। আরও একটি টুইটে কংগ্রেসের তরফে লেখা হয়, “এটা খুব ভাল সময় দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর দূরদর্শী পদক্ষেপের কথা স্মরণ করার। নেহেরুই ১৯৬২ সালে ইসরো প্রতিষ্ঠার অর্থ বরাদ্দ করেছিলেন। এবং একইসঙ্গে ২০০৮ সালে চন্দ্রযান ২ প্রকল্পে সম্মতি দেওয়ার জন্য মনমোহন সিংয়ের ভূমিকায় অনস্বীকার্য।” কংগ্রেস যে দাবি করছে তা ঐতিহাসিকভাবে সত্যি হলেও, ইসরোর সাফল্যের দিন কংগ্রেসের এই টুইট যে নিতান্তই রাজনৈতিক উদ্দেশে করা তা বুঝতে বাকি নেই নেটিজেনদের। অনেকেই বলছেন, কংগ্রেস যেভাবে নেহেরুকে কৃতিত্ব দেওয়ার চেষ্টা করছে তা লজ্জাজনক। বিজেপির তরফেও একই দাবি করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: আয়করের নামে পুজো কমিটিগুলিকে হেনস্তা, নাম না করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী]

এদিকে, ইসরোর সাফল্যের জন্য গোটা বিশ্বই ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। তালিকায় সর্বাগ্রে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানিয়েছেন, “কে শিবননজি এবং তাঁর পুরো টিমকে শুভেচ্ছা। চন্দ্রযান-২ এর এই সাফল্য গোটা দেশের গর্ব। এই সাফল্য আমাদের বিজ্ঞানীদের দক্ষতা এবং ১৩০ কোটি ভারতীয়র দৃঢ় মানসিকতার কৃতিত্বকে প্রতিষ্ঠা করে।” ইসরোর সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং