Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Himachal Pradesh

হিমাচলকে ‘দুর্যোগ-বিধ্বস্ত’ রাজ্য ঘোষণা করুন, মোদির কাছে আরজি কংগ্রেসের

এখনও পর্যন্ত হিমাচলে দুর্যোগের বলি ৬০।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৩, ১৭:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৩, ১৭:৩৮

options
link
হিমাচলকে ‘দুর্যোগ-বিধ্বস্ত’ রাজ্য ঘোষণা করুন, মোদির কাছে আরজি কংগ্রেসের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টি এবং ভূমিধসে ভয়ংকর পরিস্থিতি হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh)। নদীর জলস্তর বাড়ায় ভেসে গিয়েছে আস্ত সেতু, রাস্তা। বহু ঘর-বাড়ি, মন্দির ভেঙে পড়েছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬০। আহত বহু। এই অবস্থায় রাজ্যটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) দ্বারস্থ হল হিমাচল কংগ্রেস (Congress)। তাদের আবেদন, হিমাচল প্রদেশকে দুর্যোগ-বিধ্বস্ত রাজ্য ঘোষণা করুন।

বুধবার হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু জানান, গত ১৩ আগস্ট থেকে টানা বৃষ্টিতে জেরবার রাজ্য। এখনও পর্যন্ত সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ জন। মঙ্গলবার তিনটি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে একটি সিমলার এক মন্দিরের নিচে চাপা পড়েছিল। ওই মন্দিরের নিচে এখনও ১০ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। বাকি দুটি দেহ উদ্ধার হয়েছে ধসের স্তূপ থেকে। সিমলার কৃষ্ণনগর এলাকায় বৃষ্টির তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু বাড়ি। রাজ্যের বহু এলাকা বিদ্যৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, পানীয় জলের হাহাকার দেখা দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে হিমাচলের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অটলবিহারী বাজপেয়ীর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির]

দুর্যোগে কাবু রাজ্যের অবস্থা তুলে ধরেই কেন্দ্রের কাছে বিশেষ সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন প্রদেশ সভাপতি তথা হিমাচলের কংগ্রেস সাংসদ প্রতিভা বীরভদ্র সিং। তাঁর দাবি, “প্রধানমন্ত্রীর উচিত হিমাচল প্রদেশকে দুর্যোগ-বিধ্বস্ত রাজ্য ঘোষণা করা। সেই মতো পুনরুজ্জীবিত করে তোলার কাজ শুরু করা।” কংগ্রেস সাংসদের আবেদন, অবিলম্বে হিমাচলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র। যাতে করে এ রাজ্যের মানুষ স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেন।

[আরও পড়ুন: হয়নি গোলা বর্ষণ, শেষ আড়াই বছর শান্ত পাক সীমান্ত, তবু সতর্ক ভারত]

অন্যদিকে উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগজনক। আগামী চারদিন চলবে টানা বৃষ্টি বলে জানিয়েছেন আবহবিদরা। সোমবার প্রবল বর্ষণের জেরে উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। তবে গতকাল থেকে ফের কাজে নেমেছে জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.